৬৭ বছরে পা রাখলো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

‘শিক্ষা শান্তি প্রগতির ধারা আজও আমাদের সাথী, অবিরাম এই চলার ছন্দে আমরা আলোর জ্ঞাতি’ প্রতিপাদ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ৬৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ৬৭ বছরে পা রাখলো বিশ্ববিদ্যালয়টি।

জ্ঞান, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি ও প্রযুক্তি সবক্ষেত্রেই বিগত দিনগুলোর অর্জনকে সামনে নিয়ে আগামীর উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় জোহা চত্বরে শনিবার সকাল থেকেই স্ব-স্ব ব্যানারে জড়ো হতে থাকেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন আবাসিক হল ও বিভাগসমূহ।

পরে সকাল ১০টায় শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় সংগীতের সঙ্গে পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে শুরু হয় মূল আয়োজন।

সিনেট ভবনের সামনে বৃক্ষরোপন শেষে বেলুন-ফেস্টুন ও শন্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধন ঘোষণা করেন রাবি উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান।

উদ্বোধন শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, “একবিংশ শতাব্দীর পৃথিবী খুব চ্যালেঞ্জিং। চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশ পিছিয়ে থাকতে পারে না। এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিশ্বমানের নাগরিক তৈরি হবে। যারা দেশ ও জাতির কল্যাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। বর্তমানের বিশ্ববিদ্যালয়ে বিরাজমান শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখা ও গবেষণায় উৎসাহিত করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কাজ করে চলছে।”

তিনি আরও বলেন, “আশা করি এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আমাদের মধ্যকার দীনতা, হীন্যতা দূর করে কর্মে প্রেরণা যোগাবে এবং সূদৃঢ় করবে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞানার্জন ও মানব কল্যাণে সম্মিলিত অবদান রাখবে।

বক্তব্য শেষে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালিতে অংশগ্রহণ করে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনন্দ কুমার সাহা, চৌধূরী মো. জাকারিয়া, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. এম এ বারী, প্রক্টর অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান, ছাত্র-উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. লায়লা আরজুমান বানু প্রমুখ।