শিশু সায়মাকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি হারুন অর রশিদ ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।
ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনসারী সোমবার তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। জবানবন্দি রেকর্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, রাজধানীর ওয়ারীর বনগ্রামে বহুতল একটি ভবনের নয় তলার ফাঁকা ফ্ল্যাটে শুক্রবার রাতে শিশুটির লাশ পাওয়া যায়। ওই ভবনের ষষ্ঠ তলায় শিশুটি পরিবারের সঙ্গে থাকত। শিশুর বাবা আব্দুস সালাম নবাবপুরের একজন ব্যবসায়ী। তার দুই ছেলে, দুই মেয়ের মধ্যে সবার ছোট ওই মেয়েটি একটি স্কুলে নার্সারিতে পড়ত।
জানা যায়, ওইদিন সন্ধ্যার পর থেকে নিখোঁজ ছিল শিশুটি; খোঁজাখুঁজির পর রাতে পাওয়া যায় লাশ। এঘটনায় শিশুটির বাবা আব্দুস সালাম বাদী হয়ে ওয়ারী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
মামলায় আসামি হিসেবে কারো নাম উল্লেখ করা হয়নি। এ ঘটনায় শনিবার রাতে হারুন (২৬) নামের ওই যুবককে কুমিল্লা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বনগ্রামের যে বহুতল ভবনে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনাটি ঘটেছে, তার অষ্টম তলায় খালাতো ভাই পারভেজের বাসায় থাকত আসামি হারুন। ঠাঁটারীবাজারে পারভেজের রঙের দোকানে সে কাজ করত।
আর হত্যার শিকার সাত বছর বয়সী সায়মা অন্য দিনের মতো আট তলায় পারভেজের মেয়ের সঙ্গে খেলতে যাওয়ার কথা বলে শুক্রবার বাসা থেকে বের হয়। কিন্তু সে না ফেরায় পরিবার খোঁজাখুঁজি শুরু করে। নবম তলায় খালি ফ্ল্যাটের ভেতরে তাকে পাওয়া যায় গলায় রশি প্যাঁচানো, মুখ বাঁধা ও রক্তাক্ত অবস্থায়।
হারুন তাকে প্রথমে মাথায় আঘাত করে অচেতন করে ও ধর্ষণ করে। সবেশেষে সে হত্যা করে সায়মাকে।