বাড়িতে স্ত্রীকে হত্যার পরে ঝাঁপ দিলেন ট্রেনের নীচে

চাঁদপুরে পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রী বেবী বেগমকে (৫০) হত্যার পর ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে স্বামী খোরশেদ আলম (৬০)।

রোবববার ভোর রাতে চাঁদপুর সদর উপজেলার গুলিশা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।

জানা যায়, স্ত্রী হত্যার পরে সকাল ৮ টার সময় শহরের মিশন রোড এলাকায় কুমিল্লা থেকে চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা ডেমু ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

নিহত বেবী বেগমের ভাই মফিজুল ইসলাম জানান, সকালে তার বোন জামাই খোরশেদ আলম ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে মারা যান। মৃত্যুর সংবাদটি দিতে বোনের বাড়িতে গিয়ে দেখে দরজায় তালা মারা। পরে তালা ভেঙে ভিতরে ঢুকে আমার বোনের রক্তাক্ত মৃতদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিই। নিহত দম্পতির ৩ মেয়ের সকলেরই বিয়ে হয়ে যাওয়ায় খোরশেদ ও তার স্ত্রী বেবী একাই বাড়িতে থাকতেন।

এলাকাবাসী জানায়, বিভিন্ন সময় খোরশেদ আলম ও তার স্ত্রী বেবী বেগমের সাথে দ্বন্দ্ব লেগে থাকত। খোরশেদ তার স্ত্রীকে মারধর করত। কিন্তু ঠিক কি কারণে এই ঘটনাটি ঘটেছে তার সঠিক কোন কারণ জানাতে পারেনি নিহতদের পরিবার।

চাঁদপুর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক আব্দুর রব জানান, সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। এ সময় আমরা নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছি। প্রাথমিক পর্যায়ে হত্যার কারণ জানতে পারিনি। কী কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহই মনে হচ্ছে।