ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করা হবে। এদের প্রত্যেককে দেশ থেকে বিতাড়িত করা হবে।
রাজ্যসভায় বুধবার তিনি জানান, গোটা দেশে হবে এনআরসি। অনুপ্রবেশ রুখতে আরও কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করবে সরকার। সীমান্তে নজরদারি আরও আঁটসাঁট করা হবে।
স্থানীয় সংবাদ প্রতিদিন জানায়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্যের একদিন আগে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে লোকসভায় লিখিত বিবরণ দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বিজেপি সাংসদ প্রবেশ সহিব সিং-এর প্রশ্নের উত্তরে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অনুপ্রবেশ রুখতে গত পাঁচ বছরে উল্লেখযোগ্য কাজ করেছে কেন্দ্র। সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়াজাল আরও পোক্ত করা হয়েছে।
বলা হয়েছে, স্পর্শকাতর এলাকায় যথাযথ আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। তৈরি হয়েছে পাকা রাস্তা। সীমান্তের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সেনাকর্মীরা অতি স্পর্শকাতর ওই এলাকাগুলোয় নিয়মিত টহল দেয়। সীমান্তজুড়ে তৈরি হয়েছে অতিরিক্ত বর্ডার আউটপোস্ট।
তবে কেন্দ্র স্বীকার করেছে, এখনো পুরোপুরিভাবে অনুপ্রবেশ বন্ধ করা যায়নি। পার্বত্য অঞ্চল ও নদীপথের সাহায্য নিয়ে, এখনো কিছু অংশে অনুপ্রবেশ চলছে। আগামীদিনে সেই রাস্তাও বন্ধ হবে বলে আশ্বাস দিয়ে জানানো হয়, অনুপ্রবেশকারী রুখতে ১৯৪৬-এর ফরেনার্স অ্যাক্টের সেকশন ৩ ধারাকে আরও পোক্ত করা হয়েছে।