আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দুর্নীতি দুর্নীতিই। এটা অন্যভাবে দেখার উপায় নেই।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চেয়ারম্যানের বৃহস্পতিবার করা এক মন্তব্য নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।
শুক্রবার সকালে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের বলেন, “দুর্নীতিকে দুর্নীতি হিসেবেই দেখব। সরল বিশ্বাস বলতে তিনি কী বোঝাতে চেয়েছেন, তা আমাকে জানতে হবে। তবে দুর্নীতি দুর্নীতিই। এটা অন্যভাবে দেখার উপায় নেই।”
উপজেলা নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী ও তাদের ইন্ধনদাতাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, “কোনো সাংগঠনিক ব্যবস্থা যত কঠিনই হোক না কেন, আমরা প্রথমে কারণ দর্শাতে বলি। তিন সপ্তাহের মধ্যে কারণ দর্শাতে হবে কেন আপনার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। সহযোগীদের মধ্যে যারা বিদ্রোহে ছিল বা সহায়তা করেছে তাদের সংশ্লিষ্ট পেলে ওই সংগঠন থেকে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
বিএনপির সাংগঠনিক কাজে সরকার বাধা দিচ্ছে- দলটির নেতাদের এমন অভিযোগ বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, “বিএনপির কোথাও কোনো সভায় পুলিশ বাধা দেয়নি। সবখানে তারা সভার অনুমতি পেয়েছে। সরকারের বিরুদ্ধে কল্পিত অভিযোগ ছাড়া বিএনপির কিছু নেই।”
জাতীয় পার্টির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “জাতীয় পার্টি প্রধান বিরোধী দল, সংসদে অনেকগুলো আসন আছে। রাজনীতিতে তারাই টিকে থাকবে, যারা সময়োপযোগী রাজনীতি চর্চা করবে।”
বন্যা মোকাবেলায় দল ও সরকারের ভূমিকা নিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, “আজকেও জামালপুর ও গাইবান্ধায় আমাদের প্রতিনিধি গেছে। আমাদের টিম বন্যাদুর্গত এলাকায় যাচ্ছে। সরকারও আন্তরিক, ব্যবস্থা নিচ্ছে।”
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সবুর, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হারুনুর রশিদ, উপ-দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, কেন্দ্রীয় সদস্য এসএম কামাল হোসেন প্রমুখ।