দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি নিম্নমুখী পেঁয়াজ

রাজধানীর পাইকারি বাজারগুলোতে সপ্তাহের ব্যবধানে কিছুটা কমেছে পেঁয়াজের দাম। প্রতি কেজিতে ৫ টাকা কমে দেশি পেঁয়াজ

বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকায়, আর ভারতীয় পেঁয়াজ ৪০ টাকায়। তবে পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমলেও এখনো দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ ও সবজি। ব্যবসায়ীদের দাবি, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও বন্যা এবং স্থানীয় বাজারে মজুদ সংকটের কারণে কাঁচা মরিচ ও সবজির দাম বেড়েছে। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ানবাজার, শান্তিনগর, সেগুনবাগিচা, মোহাম্মদপুর ও হাতিরপুল অঞ্চলের বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

কারওয়ানবাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মানভেদে দেশি পেঁয়াজের পাল্লা ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা গত সপ্তাহে ২২০ টাকা থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমলেও রসুনের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। কেজিপ্রতি ৩০ থেকে ৪০ টাকা বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৮০ টাকায়।

পেঁয়াজের দামের বিষয়ে জানতে চাইলে কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী আফজাল হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘পেঁয়াজ গত দুই সপ্তাহ ধরে ৫৪ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি করেছি। দুই দফায় দাম কমে শুক্রবার তা ৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি। এ হিসাবে প্রতি কেজিতে পেঁয়াজের দাম কমেছে ৫ টাকা।’

এদিকে পেঁয়াজের দাম কমলেও চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের সবজি। দ্বিগুণ হওয়া কাঁচা মরিচের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে আরও বেড়েছে। প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়। বাজারভেদে প্রতি কেজি পাকা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৭০ থেকে ৮০ টাকা। ৭০ টাকার গাজর বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। পটোল বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি, যা গত সপ্তাহে ছিল ২০ থেকে ৩০ টাকা। এ ছাড়া ঝিঙা, ঢেঁড়স, উচ্ছে ও ধুন্দুলের দাম কেজিতে ১০-২০ টাকা বেড়ে ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবজি ও কাঁচা মরিচের দাম বাড়ার কারণ জানতে চাইলে হাতিরপুলের ব্যবসায়ী জামাল উদ্দিন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘সারা দেশে এখন প্রচুর বৃষ্টি, আবার কোনো কোনো অঞ্চলে বন্যা হচ্ছে। আমরা সঠিক সময়ে মালামাল পাচ্ছি না। এ ছাড়া মৌসুম না হওয়ায় কিছু সবজি এমনিতেই বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে।’