ঢাকা-চট্টগ্রামে নদী দূষণরোধে মাস্টারপ্ল্যান প্রস্তুত

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী ও ঢাকার চারপাশের নদীগুলোর দূষণ, দখল রোধে এবং নাব্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে কারিগরি সাব কমিটির মাধ্যমে দুটি খসড়া মাস্টারপ্ল্যান মূল কমিটির কাছে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

রবিবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীসহ ঢাকার চারপাশের নদীগুলোর দূষণ ও দখল রোধ এবং নাব্যতা বৃদ্ধির জন্য গৃহীত মাস্টারপ্ল্যান অবহিতকরণে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

তাজুল ইসলাম বলেন, ঢাকার চারপাশের নদীগুলোর দূষণ ও দখল রোধে এবং নাব্যতা বৃদ্ধির বিষয়ে প্রণীত মাস্টারপ্ল্যানের ২৪টি মূল কার্যক্রম এবং এর আওতায় ১৮০টি সহযোগী কার্যক্রম চিহ্নিত করা হয়েছে। যা ক্র্যাশ প্রোগ্রাম, স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি এবং দীর্ঘমেয়াদি -চারটি পদক্ষেপের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে।

অপরদিকে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী এবং হালদা নদীর দূষণরোধে নাব্যতা বৃদ্ধি ও অবৈধ দখল রোধে প্রণীত মাস্টারপ্ল্যানে ৪৫টি মূল কার্যক্রম এবং এর আওতায় ১৬৭টি সহযোগী কার্যক্রম চিহ্নিত করে একইভাবে ক্র্যাশ প্রোগ্রাম, স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি, দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে বলে তিনি জানান।

এ মাস্টারপ্ল্যানে ঢাকার চারপাশের বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী, তুরাগ ও বালু নদী এবং চট্টগ্রামের কর্ণফুলী, হালদা নদীর দূষণ ও দখল রোধে এবং নাব্য বৃদ্ধির বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীসহ ঢাকার চারপাশের নদীগুলোর দূষণ ও দখল রোধ এবং নাব্যতা বৃদ্ধির জন্য প্রণীত খসড়া মাস্টারপ্ল্যান দুটি প্রধানমন্ত্রী গত ১২ জুলাই অনুমোদন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী কালক্ষেপণ না করে এই মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী কার্যক্রম বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রণীত দুটি মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিবকে আহ্বায়ক করে দ্রুত একটি কমিটি গঠন করা হবে।