গুজব মোকাবিলায় সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানোর পাশাপাশি গুজব ছড়ানোয় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার নুরে আলম মিনা।
বৃহস্পতিবার নগরীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
পুলিশ সুপার নুরে আলম মিনা বলেন, ‘যারা গণপিটুনিতে অংশ নিবে এবং যারা ভিডিও করবে তাদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করা হবে।’
ছেলেধরা গুজব ছড়িয়ে গণপিটুনির ঘটনায় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড, বাঁশখালী ও সাতকানিয়া থানায় তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, ‘পদ্মাসেতু প্রকল্পের দায়িত্বরত একজন কর্মকর্তা সেতু নির্মাণে অতিরিক্ত লোকবল লাগবে এমন সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন। সেটাকে বিকৃত করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে কয়েকজন ‘ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের’ প্রবাসী ছেলেধরা ও পদ্মা সেতুতে মানুষের মাথা ও রক্ত লাগবে এমন গুজব ছড়ায়।’
তিনি বলেন, ‘যারা এসব গুজব ছড়িয়েছে তাদের শনাক্ত করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে আমাদের পুলিশ হেডকোয়ার্টার এসব গুজবের মূল উৎপত্তিস্থল খুঁজে পেয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় হেড কোয়ার্টার থেকে আমাদের দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গুজব প্রতিরোধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার, কমিউনিটি পুলিশিং, স্কুল-মাদ্রাসায় প্রচার, এলাকায় মাইকিং ও মসজিদে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।’
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) একেএম এমরান ভূঁঞা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) মশিউদ্দৌলা রেজা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) আফরুজুল হক টুটুলসহ বিভিন্ন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।