সোমবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে শেষ সংবাদ সম্মেলন ছিল ভারতের। ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে নিকট অতীতে একতরফাভাবে জিতেছে ভারত। এবার অ্যাওয়েতে কেমন করবে? স্বাভাবিকভাবে এসব কথাই আসার কথা ছিল সংবাদ সম্মেলনে। কিন্তু ক্রিকেট পাশে রেখে আলোচনার তুঙ্গে বিরাট কোহলি-রোহিত শর্মার সম্পর্কের বৈরিতা।
বিশ্বকাপ থেকে ভারতের বিদায়ের পর কোহলির সঙ্গে সহঅধিনায়ক রোহিতের সম্পর্কের অবনতির খবর প্রকাশ পায়। গুজব ওঠে দুজনে নাকি একে অন্যের দিকে তাকানো বন্ধ করে দিয়েছেন। সম্প্রতি কোহলির স্ত্রী বলিউড অভিনেত্রী আনুশকা শর্মাকে টুইটারে আনফলো করেছেন রোহিত। এতে গুজবের আগুন যেন তুষ পেয়ে যায়। এতদিন দুজনের কাউকেই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করার জন্য সামনে পায়নি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম। উস্কানি দিতে সদা প্রস্তুত থাকাদের সামনে সুযোগ এলো গতকাল। অবশ্যম্ভাবীভাবে কোহলির দিকে প্রথম প্রশ্নটিই এলো এই ব্যাপার নিয়ে। প্রশ্ন শুনেই ক্ষুব্ধ কোহলিও জবাব দিলেন কড়াভাবে। জানালেন, রোহিতের সঙ্গে তার কোনো ঝামেলা নেই। কাউকে যদি অপছন্দ হয় তা তার মুখভঙ্গিতেই ফুটে ওঠে। সংবাদ সম্মেলনে এই গুজবের ব্যাপারে কোহলি বলেন, ‘ননসেন্স, আমার মতে এসব বিষয় নিয়ে কথা বলা বিভ্রান্তিকর, হাস্যকর। এটা অবশ্যই মিথ্যা। রোহিতের সঙ্গে আমার কোনো সমস্যা নেই। কাউকে যদি আমি পছন্দ না করি তবে তার দিকে চোখও রাখি না, অপছন্দের বিষয়টা আমার চেহারায় ফুটে ওঠে। রোহিতকে বরং আমি সবসময় প্রশংসা করি, কারণ সে প্রশংসা করার মতোই ভালো। আমি জানি না কারা এসব ছড়িয়ে দেয় এবং তাদের এতে কী লাভ। এতে ক্রিকেট থেকে সবার মনোযোগ সরে যায়। সাম্প্রতিক সময়ে আমি আরও অনেক গুজব শুনছি। আমাদের দলের ভেতরে যদি ভালো অবস্থা না থাকে তাহলে মাঠে ভালো করা কঠিন। আশা করি এসব মিথ্যে অপবাদ বা গুজব নিয়ে কথা বলার বা চিন্তা করার কিছু নেই।’
আরও একটি আলোচনার বিষয়বস্তুও উঠে এসেছে সংবাদ সম্মেলনে। তা হলো, কোচ রবি শাস্ত্রির থাকা না থাকা। কোহলি বললেন, ‘কোচদের বিষয় নিয়ে ক্রিকেট পরামর্শক কমিটি (সিএসি) আমার সঙ্গে কথা বলেনি। কিন্তু রবি ভাইসহ বাকিদের সঙ্গে আমাদের বোঝাপড়াটা দারুণ। আমরা সত্যিই খুশি হব যদি তারাই দায়িত্বে থাকে। তবে এটা সিএসি ও বোর্ডের বিষয়।’