দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মাদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) অধ্যয়নরত ৯ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
গত ৩০ মে আবাসন ও শৃঙ্খলা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রিজেন্ট বোর্ডের ৪৭তম সভায় ৯ জন শিক্ষার্থীর বহিষ্কারাদেশ দেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ডা. মো. ফজলুল হক স্বাক্ষরিত (২৯ জুলাই) বহিষ্কারাদেশে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ও ইসিই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মাহাবুব হোসেনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় অভিযুক্ত ৫ শিক্ষার্থী যথাক্রমে- মো. আশরাফুল আলম (এমবিএ ৩য় সেমিস্টার), নাফিউল হাদি বাঁধন ( সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, লেভেল-৩, সেমিস্টার-২), বিন ইয়ামিন সুফি (বিবিএ, লেভেল-২, সেমিস্টার-২), জান্নাত-ই-নাঈম (বিএসএস, লেভেল-৩, সেমিস্টার-২) এবং মাহামুদুল হাসান সজীব (বিবিএ, লেভেল-২ সেমিস্টার-২) কে বিশ্ববিদ্যালয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে প্রত্যেককে ১ সেমিস্টারের জন্য একাডেমি কার্যকলাপ এবং ক্যাম্পাসের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে আবাসিক হল থেকে বহিষ্কার করা হলো।
অন্যদিকে ইন্টারন্যাশনাল হলের বিশৃঙ্খলা পরিপন্থী কার্যকলাপ সৃষ্টির অভিযোগে ৩ বিদেশি শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কারের পর তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কথাও আদেশে বলা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে বিদেশি শিক্ষার্থী ধীরাজ কুমার ও জয় যাদবকে দুই বছরের জন্য (৪-সেমিস্টার) একাডেমিক কার্যকলাপ থেকে বহিষ্কার এবং অপর আরেক বিদেশি শিক্ষার্থী কুলদ্বীপ শর্মাকে এক সেমিস্টারের জন্য একাডেমিক কার্যকলাপ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এছাড়াও কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের আহাকামুল আকমাম বাঁধন নামের অপর এক (এমএস) শিক্ষার্থীকে রোভার স্কাউটের একটি অনুষ্ঠানে একজন নারী রোভার সদস্যকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার দায়ে এক সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কারসহ কঠোরভাবে সতর্কীকরণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর জানান, আদেশ কপি সংশ্লিষ্ট বিভাগে পৌঁছানোর পর থেকে তারা বহিরাগত হিসেবে বিবেচিত হবে এবং খুব শিগগিরই এই অফিস আদেশ বাস্তবায়ন করা হবে। এর মধ্যে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’