কীভাবে, কোন পদ্ধতিতে মশা নিধনের নতুন ওষুধ আসবে সে বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিবকে এক ঘণ্টার মধ্যে জানাতে বলেছেন হাইকোর্ট।
বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মোহাম্মদ সোহরাওয়ার্দীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এই নির্দেশ দেন বৃহস্পতিবার দুপুর তিনটার দিকে।
এর আগে হাইকোর্টের তলবে আদালতে আসেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. হেলালুদ্দীন।
গত ২৫ জুলাই ওষুধের ডোজ বাড়িয়ে এডিস মশা নির্মূল ও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত সময় বেঁধে দেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার আইনজীবীরা জানান, বিদেশি নমুনা ওষুধের কার্যকারিতার ওপর মহাখালীর একটি ল্যাবরেটরিতে প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা চালানো হবে।
আদালতে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা ও উত্তর সিটি করপোরেশনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী তৌফিক ইনাম টিপু। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সায়রা ফাইরোজ।
এ ছাড়া মশা নিধনে কার্যকর ফল না পাওয়ায় গত ৩০ জুলাই এডিস মশা নিধনে কার্যকর ওষুধ কবে দেশে আসবে, তা সরকার ও ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনকে বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার মধ্যে জানাতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।
এর ধারাবাহিকতায় ওষুধের বিষয়ে দুই সিটির আইনজীবীরা হাইকোর্টকে বিষয়টি অবহিত করেন।
এর আগে গত ১৪ জুলাই আদালত এক আদেশে ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া প্রতিরোধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা জানাতে ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটির মেয়র, নির্বাহী কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য সচিব, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে জানাতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।