এশিয়ার নোবেল খ্যাত ম্যাগসেসে পুরস্কার পেলেন ৫ সাহসী সাংবাদিক

২০১৯ সালে র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার পেলেন ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রখ্যাত সাংবাদিক রবিশ কুমারসহ পাঁচজন সাংবাদিক । ফিলিপাইনের এ সম্মাননাকে এশিয়ার নোবেল বলা হয়ে থাকে।

রবিশ কুমারের সঙ্গে অভিজাত এই পুরস্কার পেয়েছেন মিয়ানমারের কো সোয়ে উইন, থাইল্যান্ডের আংখানা নিলাপাইজিত্‍, ফিলিপাইনের রয়মুন্ডো পুজান্তে এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কিম জং কি।

শুক্রবার ম্যাগসেসে অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব ট্রাস্টি এবারের মনোনীতদের তালিকা প্রকাশ করে।

এশিয়ায় সাংবাদিকতা, জনসেবা, সামাজিক নেতৃত্ব, শান্তি, সাহিত্য সহ আরও কিছু বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য ১৯৫৭ সাল থেকে এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।

ফিলিপাইনের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি রামোন ম্যাগসেসের নাম অনুসারে এ পুরস্কার প্রবর্তিত হয়।

সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য কাজ করে যাওয়াসহ সাংবাদিকতা করে রাষ্ট্রীয় রোষানলে পড়া সাংবাদিকদের প্রতি এবার সম্মান জানায় ম্যাগসেসে।

১৯৯৬ সাল থেকে এনডিটিভির সঙ্গে রয়েছেন রবিশ। প্রতিদিন সকালে ‘প্রাইম টাইম’ নামে একটি অনুষ্ঠান উপস্থাপন করেন তিনি। এতে সাহসিকতার সঙ্গে সত্য তুলে ধরতেন রবিশ। এই অনুষ্ঠানের জন্য একাধিকবার হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে তাকে।

একইভাবে মিয়ানমারের সাংবাদিক কো সোয়ে উইনও দেশটির সামরিক জান্তা সরকারের রোষানলের শিকার হন সাংবাদিকতা করতে গিয়ে।

১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ থেকে প্রথম এ পুরস্কার পান লেখক ও সমাজকর্মী তহরুন্নেসা আবদুল্লাহ। এরপর ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদ (১৯৮০), গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস (১৯৮৪), গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (১৯৮৫), নটরডেম কলেজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা রিচার্ড উইলিয়াম টিম (১৯৮৭), সমবায়কর্মী  মোহাম্মদ ইয়াসিন (১৯৮৮), সিডিডির নির্বাহী পরিচালক এ এইচ এম নোমান খান (১৯৮৮), এনজিওকর্মী  এঞ্জেলা গোমেজ (১৯৯৯), বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ (২০০৪), প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান (২০০৫) ও পরিবেশ বিষয়ক আইনজীবী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান (২০১২) এ পুরস্কারে ভূষিত হন।