কোনো ধরনের ব্যাখ্যা না দিয়ে ফেব্রুয়ারি মাসে কাশ্মীরের দুটি বড় সংবাদপত্রে সরকারি বিজ্ঞাপন বন্ধ করে দেওয়া হয়। সাম্প্রতিক সময়ে আসিফ সুলতান নামে এক সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করেছে স্থানীয় পুলিশ। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরেকটি গ্রেপ্তার।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, জঙ্গি হামলার আশঙ্কায় কাশ্মীরে কয়েক দিন ধরে চাপা উদ্বেগ ও চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। পর্যটক ও তীর্থযাত্রীদের সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যেই শনিবার গ্রেপ্তার করা হয় এক অনলাইন পোর্টালের বার্তা সম্পাদক কাজী শিবলীকে।
অভিযোগ উঠেছে, কাশ্মীরে বাড়তি আধা সেনা মোতায়েনের নির্দেশিকা টুইটারে ফাঁস করেছিলেন তিনি। এই ধরনের আরও কয়েকটি টুইটের পরে তাকে ডেকে জেরা করে পুলিশ। জবাবে খুশি না-হয়ে গ্রেপ্তার করে।
এই ঘটনার জেরে কাশ্মীরে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ফ্রি কাজী শিবলী হ্যাশট্যাগ দিয়ে তার মুক্তির জন্য টুইটারে প্রচারও শুরু হয়েছে।
কাজী শিবলী সাংবাদিকতা নিয়ে স্নাতক করেছেন বেঙ্গালুরু ইউনিভার্সিটি থেকে। তিনি বিদেশি কয়েকটি সংবাদমাধ্যমেও লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত।
শুধু স্থানীয় সাংবাদিকই নন, বিদেশিদের চলাচলও এখানে সীমিত। ২০১৮ সালের মে মাস থেকে কাশ্মীরে বিদেশি সাংবাদিকদের গতিবিধির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ছাড়া কোনো বিদেশি সাংবাদিক এখানে কাজ করতে পারেন না।