ডেঙ্গু প্রতিরোধে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতার ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ আইন প্রনয়ণের কথা জানালেন।
তিনি জানান, কলকাতা পৌরসভা নয় বছর ধরে লড়াই চালিয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করেছে।
সোমবার দুপুর পৌনে ৩টায় নগর ভবনে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলামের সঙ্গে এক ভিডিও কনফারেন্সে কলকাতা পৌরসভা থেকে তিনি এ পরামর্শ দেন।
তিনি বলেন, বাসা-বাড়ি কিংবা উন্মুক্ত জলাশয় যেখানেই এডিস মশার প্রজননস্থল পাওয়া যায় তা ধ্বংস করা হয়।
ঢাকার কোন কোন এলাকা ডেঙ্গু প্রবণ অতীন ঘোষ তা চিহ্নিত করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দেন।
তিনি জানান, কলকাতা পৌরসভা ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণকে প্রতিরোধ ও প্রতিকার- এই দুটি ভাগে বিভক্ত করেছে। সেখানে সারা বছর ধরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মনিটরিং এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
প্রতিবেশী দেশের এ ডেপুটি মেয়র ডেঙ্গু প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
তিনি জানান, কিউলেক্স মশা নিয়ন্ত্রণে ফগার মেশিনের সাহায্যে ওষুধ প্রয়োগ কার্যকরী হলেও এডিস মশা দমনে এর কার্যকারিতা কম।
কলকাতার ডেপুটি মেয়র আরো বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধের লক্ষ্যে আইন পরিবর্ধন করে শাস্তির পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। ফলে মানুষ আগের চেয়ে অনেক সচেতন।
ভিডিও কনফারেন্সে অন্যান্যের মধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক মো. খলিলুর রহমান, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল হাই, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোমিনুর রহমান মামুন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশার, কীটতত্ত্ববিদ ড. মঞ্জুর আহমেদ চৌধুরী, কলকাতা পৌরসভার চিফ ভেক্টর কন্ট্রোল অফিসার ডা. দেবাশীষ বিশ্বাস, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মনিরুল ইসলাম, উপ-প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সুব্রত রায় চৌধুরী, স্বাস্থ্য বিষয়ক মুখ্য পরামর্শক ডা. তপন মুখার্জী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।