চাঁদপুরে নদী ভাঙন রক্ষায় ১১শ কোটি টাকা: পানিসম্পদ উপমন্ত্রী

পানি সম্পদ উপমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ এম এনামুল হক শামীম বলেছেন, যে কোন মূল্যে মেঘনার ভাঙন থেকে চাঁদপুরকে রক্ষা করা হবে। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেগা প্রকল্পের আওতায় চাঁদপুর ও হাইমচর উপজেলা নদী ভাঙনরোধে স্থায়ীভাবে রক্ষাকল্পে ১১শ’ কোটি টাকার একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্রকল্প একনেকে পাশ হওয়ার পরে চলতি বছরেই কাজ শুরু করা হবে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

সোমবার সকালে চাঁদপুর শহর রক্ষা বাঁধের পুরানবাজার হরিসভা ভাঙন এলাকা পরিদর্শন শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, হরিসভা এলাকায় ভাঙন দেখা দেওয়ায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এখানে মোট ১০ হাজার বালুভর্তি জিও টেক্সটাইল ব্যাগ ফেলা হবে। ইতোমধ্যে গত দুই দিনে ৩ হাজার বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে।

এসময় ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক পরিবারকে তাৎক্ষণিকভাবে দুই বান্ডিল টিন ও নগদ ৬ হাজার টাকা বরাদ্দের ঘোষণা দেন তিনি।

শামীম বলেন, ১১শ কোটি টাকায় যদি প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্পন্ন করা সম্ভব না হয়, প্রয়োজনে ১৫ শ কোটি টাকা এ প্রকল্পে ব্যয় করা হবে। তবুও চাঁদপুরকে মেঘনার ভাঙন থেকে রক্ষার কাজ করা হবে।

স্থানীয় জনগণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নদী ভাঙনরোধ প্রকল্পের কাজটি যেন সেনাবাহিনীর মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়, সেই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলোচনা করবেন বলে জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, শুধু চাঁদপুর নয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে নদী তীরবর্তী এলাকার যেসব স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে সেসব এলাকায়ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসময় অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো. শওকত ওসমান, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল প্রমুখ।

এময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. মাহফুজুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী (ডিজাইন) মোতাহার হোসেন ও প্রধান প্রকৌশলী কুমিল্লা অঞ্চল জহির উদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত পৌর মেয়র ছিদ্দিকুর রহমান ঢালী, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমাসহ প্রশাসনের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ।