বাগেরহাটের চিতলমারীতে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় শিক্ষকের এবং কুষ্টিয়ার কুমারখালী থানায় করা মামলায় মাদক কারবারির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে দুই জেলার আদালত।
কুষ্টিয়ার কুমারখালী থানার মাদক মামলায় শহিদুল ইসলামকে (৩৮) যাবজ্জীবন কারাদ-সহ ৫০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক অরূপ কুমার গোস্বামী। গতকাল সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় জনাকীর্ণ আদালতে আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত শহিদুল কুমারখালী উপজেলার শেরকান্দি গ্রামের মৃত আবু বকরের ছেলে।
আদালত সূত্র জানায়, ২০১৮ সালের ২১ মার্চ সকাল সাড়ে ৭টায় কুমারখালীর শেরকান্দি গ্রামে শহিদুলের বসতঘরে তল্লাশি চালিয়ে ৫০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধারসহ তাকে আটক করে মামলা করে পুলিশ।
অন্যদিকে বাগেরহাটের চিতলমারীতে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে তাপস রানা (৩৬) নামে এক স্কুলশিক্ষককে যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে আদালত ওই স্কুলশিক্ষককে এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদন্ডের আদেশ দেয়। গত রবিবার বিকেলে বাগেরহাটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-১-এর বিচারক এস এম সাইফুল ইসলাম আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।
দন্ডপ্রাপ্ত তাপস রানা চিতলমারী উপজেলার পার ডুমুরিয়া গ্রামের সুশীল রানার ছেলে। তিনি স্থানীয় ডুমুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের শিক্ষক ছিলেন।