১২ সিটিতে পশু কোরবানির ২ হাজার ৯৪১ স্থান নির্ধারণ

আসন্ন ঈদুল আজহায় সারা দেশের ১২ সিটি করপোরেশন এলাকায় কোরবানির পশু জবাইয়ের জন্য ২ হাজার ৯৪১টি স্থান নির্ধারণ করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে ‘ঈদুল আজহার সময় নির্দিষ্ট স্থানে পশু কোরবানি এবং দ্রুত বর্জ্য অপসারণ’ বিষয়ে এক সভায় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম এ তথ্য জানান। তবে গত কয়েক বছর ধরে কোরবানির ঈদে পশু জবাইয়ের স্থান নির্ধারণ করে দেওয়া হলেও তা মেনে চলায় সাড়া মিলেছে কম। 

পশু জবাইয়ের নির্ধারিত স্থানগুলোর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৫২০টি, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২৭৩টি, রাজশাহী সিটি করপোরেশনে ২১০টি, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে ৩১৪টি, খুলনা সিটি করপোরেশনে ১৪০টি, বরিশাল সিটি করপোরেশনে ১৪২টি, সিলেট সিটি করপোরেশনে ৩৪টি, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে ২৫৮টি, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে ১৯০টি, রংপুর সিটি করপোরেশনে ১১৭টি, গাজীপুর সিটি করপোরেশনে ৪৮৭টি এবং ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনে ২৫৬টি স্থান রয়েছে। সভায় জানানো হয়, ঈদুল আজহায় যত্রতত্র পশু জবাই হওয়ায় বর্জ্য ছড়িয়ে তৈরি হয় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। পাশাপাশি বর্ষায় এই বর্জ্য নগরগুলোর পানি নামার পথ আটকে দিয়ে বিড়ম্বনাও তৈরি করে দেশের সিটি করপোরেশন এলাকাগুলোতে। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে পশু কোরবানির জন্য নির্ধারিত স্থানে প্যান্ডেল তৈরি করা হবে। পর্যাপ্ত ইমাম ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মাংস প্রস্তুতকারীর পাশাপাশি বর্জ্য অপসারণের জন্য পর্যাপ্ত ভ্যান থাকবে। এছাড়াও পর্যাপ্ত স্যাভলন ও ফিনাইল মিশ্রিত পানি ছিটানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রতিটি পশুর হাটে উন্নতমানের বর্জ্যবাহী ব্যাগ সরবরাহ করা হবে। বর্জ্য অপসারণে কন্ট্রোলরুমের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করা হবে। সিটি করপোরেশনের পানিবাহী গাড়ি ছাড়াও ঢাকা ওয়াসা, সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর গাড়িও থাকবে। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ঈদে যাতে মানুষ নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরতে পারে এবং যানবাহনের কোনো অসুবিধা না হয় সে জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় প্রস্তুতি নিয়েছে।