কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার নিয়ে সিনেমা বানানোর হিড়িক

নরেন্দ্র মোদি সরকার ভারতের সংবিধানের ৩৭০ ধারা বিলোপ করে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেওয়ার পর এই বিষয়ে সিনেমা নির্মাণে এগিয়ে এসেছেন নির্মাতারা।

ইতিমধ্যে ইন্ডিয়ান মোশন পিকচার্স প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন (আইএমপিপিএ), প্রডিউসারস গিল্ড অব ইন্ডিয়া ও ইন্ডিয়ান ফিল্ম টিভি প্রডিউসারস কাউন্সিল (আইএফটিপিসি) অর্ধ শতাধিক ছবির নাম নিবন্ধন করেছে।

মুম্বাই মিররের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, সোমবার জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেওয়ার ঘোষণা আসার পরপরই সিনেমার নাম নিবন্ধনের হিড়িক পড়ে। যা অল্প সময়ের অর্ধ শতকের ঘর পার হয়েছে।

এর মধ্যে কিছু সিনেমার নাম আর্টিকেল ৩৭০, আর্টিকেল ৩৫এ, কাশ্মীর ম্যায় ত্রিরঙা, কাশ্মীর হামারা হ্যায় ও ধারা ৩৭০।

কোনো প্রযোজনার প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করা হয়নি ওই প্রতিবেদনে। তবে আনন্দ পণ্ডিত, বিজয় গিলানি-সহ কয়েকজন পরিচালকের নাম পাওয়া গেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে ‘উরি: আ সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’-এর মতো জাতীয়তাবাদী ঘরানার ছবির জনপ্রিয়তা অনেককে রাজনৈতিক সিনেমা বানাতে অনুপ্রেরণা দিচ্ছে।

বছরের শুরুতে পাকিস্তানের ‘বালাকোট’ হামলার পর একইভাবে নাম নিবন্ধনের হিড়িক পড়ে। পুলওয়ামা, সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ২.০, বালাকোট- এই ধরনের কিছু নাম নিবন্ধিত হয়। একটি প্রতিষ্ঠান ‘হাউস দ্য জোশ’ শিরোনামে ছবি নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। যা মূলত ‘উরি’র একটি জনপ্রিয় সংলাপ।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, দর্শকদের আগ্রহকে সামনে রেখেই এই জাতীয় বিষয় বেছে নিচ্ছেন নির্মাতারা।

অবশ্য বালাকোট হামলার পর অনেক সিনেমার নাম নিবন্ধন হলেও কোনোটির শুটিং শুরুর খবর পাওয়া যায়নি।

সাধারণত ২৫০ রুপির বিনিময়ে একটি আবেদন পত্র পূরণ করে চলচ্চিত্রের নাম নিবন্ধন করা যায়। সঙ্গে দিতে হয় ৪-৫টি বিকল্প নাম। তবে টিভি-ওয়েব সিরিজের ক্ষেত্রে নাম নিবন্ধনের নিয়ম নেই।