কাশ্মীরের পৌর এলাকা থেকে উঠে গেল ১৪৪ ধারা

কাশ্মীরের পৌর এলাকা থেকে ১৪৪ ধারা উঠিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন জম্মু-কাশ্মীরের ডেপুটি কমিশনার সুষমা চৌহান। পরবর্তী ঘোষণা দেওয়ার আগ পর্যন্ত অন্য এলাকায় আগের মতোই ধারাটি বলবৎ থাকবে।

কাশ্মীর ভিত্তিক ইংরেজি দৈনিক নর্থলাইন্স জানিয়েছে, শুক্রবার কেন্দ্রীয় মসজিদ বাদে স্থানীয় মসজিদে নামাজ পড়তে দেওয়া হয় মুসল্লিদের। পৌর এলাকা থেকে ১৪৪ ধরা ওঠানোর ঘোষণার সঙ্গে স্কুল-কলেজ খোলার কথাও জানানো হয়েছে। বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে ১০ আগস্ট।

এই ঘোষণার সঙ্গে সরকারি কর্মচারীদের কাজে যোগ দিতেও বলা হয়েছে।

গত সোমবার ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা বিলোপ করে দেশটির অধীনে থাকা জম্মু-কাশ্মীরকে ভেঙে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার পর সেখানে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সাধারণ মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারছেন না। অলিগলির দখল নিয়েছে সেনাবাহিনীর সদস্যরা। স্থানীয় নেতারা আছেন ধরপাকড়ের ভেতর।

এই কদিন মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেটের কোনো সংযোগ সেখানে ছিল না। কিছু এলাকার লোকজন জানিয়েছেন, তারা এখন ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারছেন। শ্রীনগরের কিছু এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্কও সচল হয়েছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রতিশ্রুতি দেন, ঈদের আগেই জম্মু-কাশ্মীরের অবস্থা স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

‘ধীরে ধীরে জম্মু-কাশ্মীরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে। ঈদের সময় কোনো ঝামেলা থাকবে না।’

সেখানে দ্রুততম সময়ে নির্বাচন দেওয়ারও কথা দেন মোদি, ‘এখন থেকে জম্মু-কাশ্মীরের লোকজন তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করার সুযোগ পাবেন। আমি নিশ্চিত এই সব চেষ্টা উপত্যকা থেকে সন্ত্রাস নির্মূল করবে।’