সাংবিধানিক বিশেষ মর্যাদার পাশাপাশি রাজ্যের মর্যাদা তুলে নেওয়ার পর কাশ্মীরে চলছে নজিরবিহীন কারফিউ। এরই মধ্যে চলছে গণগ্রেপ্তার। এখন পর্যন্ত সাবেক দুই মুখ্যমন্ত্রীসহ আট শতাধিক কাশ্মীরি নেতা ও সক্রিয় রাজনৈতিক কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে আছেন কাশ্মীরের বিধায়ক (বিধান সভার সদস্য) ইঞ্জিনিয়ার রশিদ।
জি নিউজ জানিয়েছে, সন্ত্রাসবাদে টাকা জোগান দেওয়ার মামলায় নির্দলীয় এই বিধায়ককে গ্রেপ্তার করে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এএনআই।
গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে জেরা করা হয় রশিদকে। এর আগে ২০১৭ সালে এএনআই একদফা জেরা করেছিল উত্তর কাশ্মীরের ল্যাঙ্গেট বিধানসভা কেন্দ্রের এই বিধায়ককে।
এএনআই’র অভিযোগ, পাকিস্তান থেকে টাকা পেয়ে উপত্যকায় জঙ্গি কার্যকলাপ চালাচ্ছে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। সেই লেনদের সঙ্গে জড়িত রশিদ।
গত সোমবার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা ও রাজ্যের মর্যাদা বিলোপ ঘিরে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা সাবির শাহ, ইয়াসিন মালিক, আয়েশা আন্দ্রাবি ও মাশারাত আলমকেও।
গণগ্রেপ্তার থেকে রেহাই পাননি রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ ও মেহবুবা মুফতি। পিডিপি নেতা নইম আখতারকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে। জেকেপিসি নেতা সাজ্জাদ লোনকে বন্দি করে রাখা হয়েছে একটি হোটেলে। সৈয়দ আলি শাহ গিলানিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গত ৩০ বছরে এই প্রথম রাজ্যের এত নেতাকে একসঙ্গে পাবলিক সেফটি অ্যাক্টে আটক বা গ্রেপ্তার করা হলো।