মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌরুটে ঈদ শেষে রাজধানীমুখী যাত্রীদের প্রচণ্ড ভিড় দেখা গেছে।
শনিবার সকাল থেকেই লঞ্চ, স্পিডবোট ও ফেরিতে অতিরিক্ত যাত্রী ও যানবাহনের চাপ লক্ষ করা যায়। দুর্ঘটনা আশঙ্কায় অনেক যাত্রী ফেরিতে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছেন। যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের একাধিক টিমকে কাজ করতে দেখা যায়।
গোপালগঞ্জ থেকে আসা যাত্রী মাসুদ বলেন, ঘাটে ভিড় বাড়ার আগেই পদ্মা পার হতে বাড়ি থেকে খুব ভোরে রওনা দিয়েছি। কিন্তু ঘাটে এসে দেখি প্রচণ্ড ভিড়। লঞ্চ ও স্পিডবোট দুটোতেই নিচ্ছে বাড়তি ভাড়া।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিসি) কাঁঠালবাড়ি ঘাট সূত্র জানায়, সকাল থেকে আবহাওয়া ভালো থাকায় নৌ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘাটে ৮৭টি লঞ্চ, ১৭টি ফেরি ও ২ শতাধিক স্পিডবোট চলছে। ঘাট এলাকায় ব্যক্তিগত গাড়ির বেশ চাপ রয়েছে। তবে সব কটি ফেরি চলাচল করায় সমস্যা হচ্ছে না।
এদিকে যাত্রী ও যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের কথা মাথায় রেখে বিআইডব্লিউটিসি, বিআইডব্লিউটিএ, পুলিশ, র্যাব, ফায়ার সার্ভিস, আনসার, জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসনসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সার্বক্ষণিক কাজ করছে।
বিআইডব্লিউটিএর কাঁঠালবাড়ি লঞ্চ ঘাটের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আক্তার হোসেন বলেন, নদী শান্ত থাকায় লঞ্চ ও স্পিডবোটে যাত্রীদের ভিড় সকাল থেকেই বেশি। তবে সব নৌযান চলাচল স্বাভাবিক থাকায় যাত্রীরা স্বাচ্ছন্দ্যে পার হতে পারছেন।
মাদারীপুরের শিবচরের কাঁঠালবাড়ি ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক মো. আব্দুস সালাম জানান, ঈদে যাত্রী সেবায় ১৭টি ফেরি, ৮৭টি লঞ্চ, ২ শতাধিক স্পিডবোট চলাচল করছে। এছাড়া ৩ শতাধিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য সার্বক্ষণিক কাজ করছেন।