সামাজিক যোগাযোগ আর স্মার্টফোনের এই যুগে ছবি কে না তুলতে চান? কেউ তোলেন নিজের ছবি, কেউ প্রকৃতির। কারও লেন্স খুঁজে বেড়ায় হাসি মুখ, প্রিয় চোখ।
গত ১৯ আগস্ট পালিত হয়েছে ‘বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবস’। ১৮৩৭ সালে ড্যাগেরোটাইপের আবিষ্কারের পর বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবস উদযাপন শুরু হয়। ড্যাগেরোটাইপ হলো প্রথম সফল ফটোগ্রাফিক প্রক্রিয়া। ফ্রান্সের লুই ড্যাগেরে এবং জোসেফ নাইসফোরের হাত ধরে এই পদ্ধতির সঙ্গে বিশ্বের পরিচিতি ঘটে। ১৮৩৯ সালের ৯ জানুয়ারি ফরাসি বিজ্ঞান অ্যাকাডেমি এই প্রক্রিয়ার সাফল্য আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছিল। আর সে বছরই ১৯ আগস্ট ফ্রান্স সরকার পুরো বিশ্বের সামনে তুলে ধরেছিল অভূতপূর্ব এই ফটোগ্রাফিক প্রক্রিয়াটি।
এরপর ১৮৬১ সালে প্রথম রঙিন ছবি তোলেন থমাস সুট্টোন। আর ডিজিটাল ফটোগ্রাফির সঙ্গে সাধারণ মানুষের পরিচয় ঘটে ১৯৫৭ সালে। তারও ২০ বছর পর কোডাকের ইঞ্জিনিয়ার প্রথম ডিজিটাল ক্যামেরা আবিষ্কার করেন। তবে প্রথম গ্লোবাল অনলাইন গ্যালারির বয়স বেশ কম। ২০১০ সালে বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবসে প্রথমবার আয়োজিত হয়েছিল এই গ্যালারি।
যারা ছবি তুলতে ভালোবাসেন, তাদের সবাই চান একটা ‘পারফেক্ট ছবি’। এই ছবি তোলার জন্য রইল কিছু বিশেষজ্ঞ টিপসÑ
বিশেষজ্ঞ ফটোগ্রাফাররা বলছেন, ভালো ছবি তুলতে হলে ক্যামেরার পেছনে একটু খরচ করতেই হবে। সস্তা ক্যামেরায় ভালো মানের ছবি প্রত্যাশা করা অনুচিত।
ছবি তোলার সময় আপনার ছবির বিষয়বস্তু যদি সজাগ হয়ে যায়, তবে ছবির মজাটাই নষ্ট। প্রাণপ্রকৃতি কিংবা মানুষের সৌন্দর্যের স্বাভাবিক রূপটিকেই লেন্সবন্দি করুন। নিজেকে এমন অবস্থানে রাখুন, যেন বিষয়বস্তু কোনোভাবে সতর্ক না হয়ে যায়। অকৃত্রিম ছবিই সেরা ফটোগ্রাফির চাবিকাঠি।
ক্যামেরা বা লেন্স উন্নতমানের হলেই যে দারুণ ছবি আসবে, তা নয়। ফটোগ্রাফিক সেন্স থাকাটা অত্যন্ত জরুরি। একটা দৃশ্য নানা দিক থেকে নানারকম দেখায়। আপনার দেখার চোখই বলে দেবে ঠিক কোন জায়গা থেকে সেরা ছবিটি উঠবে।
রাস্তাঘাটে এমন অনেক দৃশ্য চোখে পড়ে, যার মধ্যে কোনো একটা গল্প লুকিয়ে থাকে। তা আনন্দ বা কষ্টেরও হতে পারে। আবার অনুপ্রেরণা বা সাফল্যেরও। আপনার দূরদর্শিতাই বলে দেবে আপনি ভালো ফটোগ্রাফার কি না।
জুম লেন্স ক্যামেরার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। এটিকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে তুচ্ছ বস্তুও অনেক সুন্দর হয়ে উঠতে পারে।