স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে অবদানের জন্য কোনো স্মারক গ্রহণ করেননি বলে জানিয়েছেন।
শুক্রবার রাজধানীর এফডিসিতে ‘শুধু সরকারি প্রচেষ্টা নয়, জনসচেতনতাই পারে ডেঙ্গু প্রতিরোধ’ শীর্ষক ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি ছিলেন মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানের শেষে ‘ডেঙ্গু মোকাবিলায় সর্বাত্মক চেষ্টার জন্য’ তার হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন বিতর্কের আয়োজক প্রতিষ্ঠান ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।
তিনি সম্মাননা প্রদানের বিষয়টি দেশ রূপান্তরকে নিশ্চিত করেন।
তবে শনিবার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম শনিবার দুপুরে হবিগঞ্জ সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অবদানের জন্য কোনো পুরস্কার বা স্মারক গ্রহণ করিনি।
তিনি জানান, একটি সংগঠন তাদের প্রথাগতভাবে তাকে সম্মাননা দিয়েছে। কিন্তু এটি ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।
ডেঙ্গু মোকাবিলা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু নিয়ে জাতির জন্য দায়বদ্ধদের অপমান অপদস্থ না করে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।
এ সময় তাজুল ইসলাম আরো বলেন, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন করাই উত্তম পন্থা। মিয়ানমারে তাদের প্রত্যাবর্তনের জন্য সরকার আন্তরিকভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ জন্য জাতিসংঘসহ সবাই মিলে কাজ করছে। আমাদের পক্ষ থেকে উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সমগ্র উন্নয়নের জন্য সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। হবিগঞ্জের যে সব রাস্তা জনমানুষের কল্যাণের জন্য নির্মিত হওয়া দরকার তা অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
এর আগে মন্ত্রী হবিগঞ্জ পৌরসভার উদ্যোগে নির্মিত কিচেন মার্কেট উদ্বোধন করেন।
এ সময় অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আবু জাহির এমপি, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল মজিদ খান ও গাজী মোহাম্মদ শাহ নেওয়াজ, জেলা প্রশাসক মাহমুদুল কবীর মুরাদ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা, পৌর মেয়র মিজানুর রহমান মিজান, কাউন্সিলর শেখ নূর হোসেন ও আব্দুল আওয়াল মজনু।
সরকারের বাংলাদেশ মিউনিসিপ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফান্ড (বিএমডিএফ) ও হবিগঞ্জ পৌরসভার যৌথ অর্থায়নে ২ কোটি ৮৫ লাখ টাকা ব্যয়ে এ কিচেন মার্কেট নির্মাণ করে হবিগঞ্জ পৌরসভা।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখায় মন্ত্রী তাজুল ইসলামকে সম্মাননা