খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর সঙ্গে ‘গোলাগুলিতে’ ইউপিডিএফ (প্রসিত খীসা) গ্রুপের তিন সদস্য নিহত হয়েছে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) সোমবার এই তথ্য জানিয়েছে।
আইএসপিআরের সহকারী পরিচালক রাশেদুল আলম খান ‘স্ক্রল’ শিরোনামে পাঠানো এক বার্তায় জানান, খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় গোলাগুলিতে নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটে।
এতে বলা হয়, ‘খাগড়াছড়ি জেলার দিঘীনালায় ইউপিডিএফ প্রসীতপ্রন্থি সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সেনা টহলের গুলিবিনিময়, ৩ সন্ত্রাসী নিহত ও ৩টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার- আইএসপিআর। ’
দীঘিনালা থানার ওসি উত্তম কুমার দেব জানান, ঘটনাস্থল সদরের বড়দাম এলাকা থেকে তিনজনের মৃতদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে।
দেশ রূপান্তরের খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি জানান, বড়াদম গ্রামে গহিন এলাকায় সোমবার ভোরে গুলিতে তিন ব্যক্তি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। নিরাপত্তা বাহিনীর দায়িত্বশীল একটি সূত্র ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
নিহতরা হলো মেরুং বেতছড়ি গ্রামের ধন্যসেন চাকমার ছেলে নবীন জ্যোতি চাকমা (৩৮), ইন্দ্রমুনি পাড়ার তঙ্যারাম চাকমার ছেলে ভূজেন্দ্র চাকমা (৫২) ও হাচিনসনপুর গ্রামের সুজিত প্রিয় চাকমার ছেলে রুচিল চাকমা ওরফে রাসেল (২৬)।
নিরাপত্তা বাহিনীর সূত্রটি দেশ রূপান্তর প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন, নিরাপত্তা বাহিনীর একটি নিয়মিত টহলদল দায়িত্ব পালনকালে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা গোপন আস্তানা থেকে তাদের ওপর গুলি বর্ষণ করে। নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছুড়লে বিনন্দচুগ এলাকায় এই তিন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে।
এ ঘটনায় খাগড়াছড়ির সার্কেল এসপি মো. রওনক আলম জানান দীঘিনালা বড়দাম আর্মি ক্যাম্প থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ তিনটি লাশ উদ্ধার করে।
এর আগে, গত শুক্রবার রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলার চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমা হত্যার অন্যতম প্রধান আসামি সুমন চাকমা সেনাবাহিনীর অভিযানে নিহত হয়েছেন। আইএসপিআর এর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার দোপাতা এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে।