রাস্তা ও আশপাশ পরিষ্কারের পরপরই আবার সেসব জায়গায় ময়লা ফেলা হচ্ছে জানিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম। এডিস মশা নিধনে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা অভিযানে সহযোগিতা না করলে ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া বিকল্প থাকবে না বলে হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন মেয়র।
জনগণের পাশাপাশি সরকারি অফিস-আদালত, পুলিশ এবং স্কুল-কলেজ কর্তৃপক্ষকে তাদের নিজেদের এলাকা পরিষ্কারে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় ডেঙ্গু দমনে চিরুনি অভিযান পরিচালনার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা বলেছি, সরকারি কাজে বাধা দিলে আমরা পেনাল কোডে যাব, আইন অনুযায়ী যেতে বাধ্য হব।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, সকালে আমরা পরিষ্কার করার পরপরই আবার দোকান খুললে ময়লা বাইরে ফেলে দেয়, বাসা বাড়ি থেকে রাস্তায় ময়লা ফেলে দেয়। দেখুন পরিষ্কার করার দায়িত্ব শুধু সরকারের না, জনগণেরও আছে। নিজের বাড়ির ময়লা নিজেরাই পরিষ্কার করুন।
তিনি বলেন, পুলিশের ডাম্পিং এলাকা, স্কুল-কলেজের পেছনের এলাকা, মেট্রোরেলের এলাকা, সরকারি অফিস-আদালতের এলাকা, এখানে সবার কিন্তু এগিয়ে আসতে হবে। পুলিশের এলাকায় পুলিশের দায়িত্ব নিতে হবে, সরকারি অফিস-আদালতের দায়িত্ব ওই অফিসকে নিতে হবে, স্কুলের পেছনে পরিষ্কারের দায়িত্ব স্কুল কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে। সবাইকে নিজ নিজ দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।
দুই বাড়ির মাঝখানের ময়লা পরিষ্কারের জন্য এলাকাবাসীর সহযোগিতা চেয়ে মেয়র বলেন, যার যার দায়িত্ব সবাইকে পালন করতে হবে। আমাদের সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব আছে, সেটা আমরা পালন করছি।
দুই ভবনের মাঝখানের ময়লার স্থায়ী সমাধানের জন্য এলাকাভিত্তিক সমিতিগুলোর সঙ্গে বসারও আগ্রহ প্রকাশ করেন মেয়র আতিক।
তিনি বলেন, গতকাল ১০ হাজার বাড়িতে চিরুনি অভিযান আমাদের টার্গেট ছিল। আমরা ৯ হাজার ৭০০টি বাড়িতে গিয়েছি। ২৫২টি বাড়িতে আমরা লার্ভা পেয়েছি।
আগামী ২০ দিন এই অভিযান চলবে জানিয়ে উত্তরের মেয়র বলেন, ১০ দিনের মধ্যে পুরান ৩৬টি ওয়ার্ড এবং বাকি দিনগুলোতে নতুন ১৮টি ওয়ার্ডে অভিযান চালাবেন তারা।