হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে পড়তে শুক্রবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন লোগান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পা রাখেন ফিলিস্তিনি তরুণ ইসমাইল আজ্জাবি (১৭)। কিন্তু সেখানেই তাকে আটক করা হয়।
দ্য হার্ভার্ড ক্রিমসন-এর বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানায়, প্রায় আট ঘণ্টা বিমানবন্দরে ইসমাইলকে আটকে রেখে জেরা করে মার্কিন কর্মকর্তারা।
একপর্যায়ে তারা তার কম্পিউটার এবং মোবাইল ফোনে তল্লাশি চালায়। এরপর ইসমাইলের ভিসা বাতিল করে তাকে লেবাননে ফেরত পাঠানো হয়।
কেন?
ঘটনার বিষয়ে এক বিবৃতিতে ইসমাইল বলেন, একজন নারী ইমিগ্রেশন অফিসার দাবি করেন, ‘তিনি (ইসমাইলের ফেসবুকে) কিছু লোকের রাজনৈতিক পোস্ট পেয়েছেন যেগুলো মার্কিন বিরোধী’। যদিও ইসমাইল নিজে পোস্ট করেছেন এমন কিছুই পাননি ওই কর্মকর্তা।
ওই ফিলিস্তিনি লিখেন, ‘প্রায় ৫ ঘণ্টা পর তিনি আমাকে একটি রুমে ডেকে নেন এবং আমাকে বকাবকি করতে থাকেন। তিনি বলেন, আমার ফেসবুক বন্ধু তালিকায় তিনি এমন লোকজন পেয়েছেন যারা রাজনৈতিক পোস্ট দিয়েছেন যেগুলো মার্কিন বিরোধী।’
ইসমাইল বলেন, ‘জবাবে আমি বলেছিলাম- এসব পোস্টের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। আমি এসব পোস্টে লাইক দিইনি, কমেন্ট করিনি কিংবা শেয়ারও করিনি। ওই কর্মকর্তাকে আরও বলেছি, অন্যরা কী পোস্ট করেছে এজন্য আমাকে দায়ী করা উচিত হবে না।’
দ্য হার্ভার্ড ক্রিমসন জানায়, এরপরও ইসমাইলের ভিসা বাতিল করা হয় এবং তাকে লেবানন ফেরত পাঠানো হয়।
এদিকে এক বিবৃতিতে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির মুখপাত্র জোনাথন সোয়াইন বলেছেন, ‘সমস্যা সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ওই শিক্ষার্থীর পরিবার এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষ করে আসছে, যাতে তিনি সামনের দিনগুলোতে সহপাঠীদের সঙ্গে ক্লাসে যোগ দিতে পারেন।’ আগামী ৩ সেপ্টেম্বর ক্লাস শুরুর কথা রয়েছে।