সাভারে পৃথক স্থানে দুই নারী পোশাক শ্রমিক ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এসব ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তৈরি পোশাক কারখানার সুপারভাইজারসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার সকালে সাভারের আশুলিয়ার পবনারটেক ও নরসিংহপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পৃথক ধর্ষণের ঘটনায় ভুক্তভোগী দুই নারী আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পরে বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তাররা হলেন- বরগুনা জেলার সদর থানা এলাকার মো. দুলালের ছেলে পলাশ খলিফা (৩২) এবং বাগেরহাট জেলার সদর থানা এলাকার নুরে আলমের ছেলে মাজেদুল ইসলাম।
এদের মধ্যে পলাশ খলিফা আশুলিয়ার পবনারটেক এলাকায় ভাড়া থেকে অটোরিকশা চালাতেন এবং মাজেদুল নরসিংহপুর এলাকার ভাড়া থেকে স্থানীয় হা-মীম গ্রুপের পোশাক কারখানায় সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করতেন।
আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ফজিকুল ইসলাম বলেন, গত বুধবার রাতে আশুলিয়ার পবনারটেক এলাকায় হাজী সামাদের বাড়ির ভাড়াটিয়া এক নারী পোশাক শ্রমিক প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বের হলে প্রতিবেশী পলাশ খলিফা তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে। এসময় ভুক্তভোগী ওই নারীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন বেরিয়ে এলে অভিযুক্ত পলাশ খলিফা পালিয়ে যায়। পরে প্রতিবেশীরা আহত অবস্থায় ওই নারী শ্রমিককে স্থানীয় নারী ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করান। এ ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং পলাশ খলিফাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এছাড়া গ্রেপ্তারকৃত অপর আসামি মাজেদুল ইসলাম ৩ মাস আগে কৌশলে এক নারী শ্রমিকের নগ্ন ছবি ও ভিডিও দিয়ে ওই নারীকে ধর্ষণ করে এবং বিষয়টি কাউকে জানালে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই নারী আশুলিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে মাজেদুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অন্যদিকে ভুক্তভোগীদের শারীরিক পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।