ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ব্রেক্সিট এবং অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক অর্থনীতি নিয়ে আলোচনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে কাশ্মীর ইস্যু।
সোমবার অধিবেশন শুরুতেই আলোচনা হয় ভারত নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলটির মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে।
সিএনবিসি টিভি এইটিন জানায়, ভারতীয় সরকার সংবিধানের ৩৭০ ধারা তুলে নিয়ে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল এবং এর পরবর্তী পরিস্থিতিতে যুক্তরাজ্যের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেন এমপিরা। যার মধ্যে ৫ জন ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির এবং একজন বিরোধী দল স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির এমপি।
এমপিদের লিখিত প্রশ্নের উত্তরে ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডোমিনিক রাব বলেন, “কাশ্মীরের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে যুক্তরাজ্য।”
তিনি জানান, ৭ আগস্ট ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্করের সঙ্গে কথা বলে ‘সব পক্ষের’ আস্থা পুনর্গঠনের জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
লেবার পার্টির স্কটিশ নেতা হাফ গাফনি কঠোর নিরাপত্তা কড়াকড়িতে কাশ্মীরের স্বাস্থ্য সংকট নিয়ে প্রশ্ন তুললে রাব জানান, উদ্বেগগুলো সম্পর্কে তিনি অবগত আছেন। ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপক্ষীয় এই ইস্যুটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশন এবং শিমলা চুক্তির মাধ্যমে সমাধানের প্রতি গুরুত্ব দেন তিনি
আরেক স্কটিশ এমপি কাশ্মীরের কড়াকড়ি এবং সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বিষয়টি নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলা হলে, তারা জানিয়েছে জরুরি প্রয়োজনেই এই পরিস্থিতি এবং এটি সাময়িক। তবে অবশ্যই আমরা চাই এই কড়াকড়ি তারা তুলে নিক।”
১০ হাজার কাশ্মীরির বসবাস উইচকম্ব এলাকার এমপি স্টিভ বেকার জানতে চান, কাশ্মীরে একজন স্বাধীন পর্যবেক্ষক নিয়োগ দেবে কিনা ব্রিটিশ সরকার।
এর উত্তরে ব্রিটিশ মন্ত্রী বলেন, “কাশ্মীর সমস্যাটি দ্বিপক্ষীয় তবে সেখানকার মানবাধিকার পরিস্থিতি অবশ্যই আন্তর্জাতিক ইস্যু। আমরা আশা করছি, আন্তর্জাতিক স্বীকৃত মানবাধিকারগুলো তারা মেনে চলবে এবং শ্রদ্ধার পাত্র হবে।”