শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের আন্দোলন

দ্বিতীয় দিনের মতো স্থবির জাবির প্রশাসনিক কার্যক্রম

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) অপরিকল্পিতভাবে গাছ কেটে হল নির্মাণ ও অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা ভাগ-বাটোয়ারার অভিযোগ ওঠার পর বিচার বিভাগীয় তদন্তসহ তিন দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের একাংশ। ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে চলা এ আন্দোলনে গতকাল বুধবার দ্বিতীয় দিনের মতো স্থবির ছিল প্রশাসনিক কার্যক্রম। পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, গতকাল দিনভর দ্বিতীয় দিনের মতো দুই প্রশাসনিক ভবন অবরোধ করে আন্দোলন করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। আজও অবরোধ করবে বলে জানিয়েছেন বিক্ষুব্ধরা। এদিন নতুন কর্মসূচি আসতে পারে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনে যুক্ত শিক্ষার্থীরা। এদিকে আন্দোলনের প্রভাব ২২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে উপাচার্য ড. ফারজানা ইসলামের আলোচনার প্রস্তাবে সাড়া দেননি আন্দোলনরতরা।

গতকাল উপাচার্য তার বাসভবনে ভর্তি পরীক্ষা সম্পর্কিত সভা করেন। তবে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষা কার্যক্রম ঢিমেতালে চলে। আন্দোলন চলাকালে উপাচার্যের প্রতিনিধিরা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তবে আন্দোলনকারীরা উপাচার্যকে নির্বাহী প্রধান রেখে বৈঠকে বসতে রাজি হননি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নূরুল আলম বলেন, ‘বুয়েটের অধ্যাপক আহসান উল্লাহ মজুমদার একজন আর্কিটেক্ট। তার নেতৃত্বে একটি কমিটি কাজ করেছে। সেখানে আরবান প্ল্যানার (নগর পরিকল্পনাবিদ) ছিলেন, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ছিলেন। সবাই মিলে কাজটি করেছেন।