২০০৭ সালে, স্নোভেনিয়ার ‘মার্টিন স্ট্রেল’ আমাজন নদীর পুরোটা ৩ হাজার ৩০০ মাইল সাঁতার দেওয়া প্রথম মানুষে পরিণত হন। দুঃসাহসিক এই যাত্রা তাকে দেখিয়েছে শুধু নদীর পানিই নয়, যুদ্ধ করতে হয় পরভুক প্রাণী বা জীবাণু, পিরানহার সঙ্গেও। শান্ত, যেকোনো মানুষের সঙ্গে মিশতে পারেন এমন একজন স্ট্রেল; জীবনের প্রথম নদী সাঁতার শুরু করেছেন ৫০ বছর বয়সে। তার এই সাঁতারের দিনগুলো নিয়ে প্রামাণ্য সিনেমা ‘দি বিগ রিভার ম্যান’ ২০০৭ সালের আগস্টের শেষ সপ্তাহে মুক্তি পেয়েছে।
৫০ বছরে পৌঁছানোর আগে নদীতে সাঁতার কাটেননি। কে আপনাকে কাজে নামিয়ে দিল?
আমার জীবন পানির সঙ্গে খুবই সংযুক্ত। স্নোভেনিয়ার এমন এক অংশে বড় হয়েছি– যেখানে অনেক পানি ছিল– অনেকগুলো হ্রদ, নদী ছিল। এই নদীগুলো উত্তর আমেরিকার মতো ছোট নদী ছিল। প্রথম সাঁতার প্রতিযোগিতা করেছি ১০ বছর বয়সে। আমার পুরো গ্রাম আমার শক্তি নিয়ে তখন আলাপ করেছে– কীভাবে ছোট্ট এই ছেলেটি এত শক্তিশালী হয়েছে? ১৯৭৮ সালে সিদ্ধান্ত নিলাম, পেশাদার (২৬ মাইলের বেশি টানা সাঁতার কাটতে পারেন এমন ম্যারাথন সাঁতারু) সাঁতারু হব। এরপর ৩১ বছর ধরে আমি পেশাদার সাঁতারু।
কীভাবে সেই পানির ছোট্ট ভূখণ্ড- ডোবা, পুকুর থেকে পানির আরেক বন্য ভূখণ্ডে লাফিয়ে পড়লেন?
আমার পরিকল্পনা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বা অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন হওয়া ছিল না। একটি পেশাদার দলের সঙ্গে সাঁতার শুরু করেছি এবং বিশ্ব সাঁতার প্রতিযোগিতাগুলোতে অংশ নিয়েছি। আমাদের যুগোস্লাভিয়ায় যুদ্ধ হয়েছিল (হিউম্যানেটিরিয়ান ল সেন্টার অনুমান করেছে, ১৯৯১ সালের ৩১ মার্চ থেকে ২০০১ সালের ১২ নভেম্বর পর্যন্ত যুগোস্লাভ রিপাবলিকের সংঘাতে ১ লাখ ৩০ হাজার মানুষ মারা গেছেন, ৪ লাখ মানুষ বাড়ি হারিয়েছেন। ১০ বছর ৭ মাস ১২ দিনের সেই যুদ্ধের ফলে যুগোস্লাভিয়া ভেঙে মন্টিনিগ্রো ও সাবির্য়া নামের দুটি স্বাধীন দেশের জন্ম হয়েছে)। যখন লড়াই শেষ হলো, সিদ্ধান্ত নিলাম– বিশ্ব বদলে যাচ্ছে; ফলে আমারও নতুন কিছু করা উচিত। তখন থেকে হ্রদ, নদী এবং পৃথিবীকে ঘিরে থাকা সাগরগুলোতে সাঁতার কাটা শুরু করলাম। আমাজন বিষয়ে আগেই চিন্তা শুরু করেছিলাম; চূড়ান্তভাবে তো সেটি করেছি। এরপর কী করব দয়া করে জিজ্ঞেস করবেন না।
পড়েছি, বিশ্বের দীর্ঘতম নদী নীলকে মোকাবিলা করতে যাচ্ছেন না, কারণ খুব স্রোতহীন এবং অগভীর– ফলে চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়...।
এটি এখন মাথায় আছে, আমাকে বিশ্বাস করুন। নদীটি সাঁতরে পাড়ি দেওয়া সম্ভব (এর আগে তিনি বলেছিলেন, নীলে যাচ্ছি না। এটি বড়, কিন্তু যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং নয়। এটি ছোট নদীর মতো মাত্র, তবে আমাজন অনেক বেশি পরাক্রমশালী। পরে তিনি নীল সাঁতরেছেন। নীল নদের ৮৫০ মাইল, নদীর মোট আয়তন ৪ হাজার ১৩০ মাইল, মিসরের আলেকজান্দ্রিয়ার কাছ থেকে ভূমধ্যসাগরের কাছ থেকে সুদান পর্যন্ত সাঁতরে গিয়েছেন।)
সাঁতার কেটেছেন ইয়াংজি, দানিয়ুব, মিসিসিপি। কীভাবে নদীগুলো পাড়ি দেওয়ার প্রশিক্ষণ নিয়েছেন?
আমার প্রথম নদী সাঁতার ছিল জন্মভূমির ‘কারকা’। ১০৫ কিলোমিটার দীর্ঘ নদীটি ২৮ ঘণ্টা টানা সাঁতার দিয়ে ১৯৯২ সালে পেরিয়েছি। এরপর জন্ম শহর মর্কনকের কার্নিওলা অঞ্চলের শেষ শহরের সীমানার ৩৯ মাইল লম্বা কলপা নদী ১৯৯৩ সালে ১৬ ঘণ্টায় পাড়ি দিয়েছি, সাবির্য়ার সবচেয়ে উষ্ণ নদী। ২০০০ সালে ইউরোপের দ্বিতীয় বড় নদী ‘দানিয়ুব’ পেরিয়েছি; ১ হাজার ৭৮০ মাইল লম্বা। সময় লেগেছে ৫৮ দিন। তখনই সবচেয়ে দীর্ঘ পথ সাঁতার দিয়ে পাড়ি দেওয়ার বিশ্বরেকর্ড লাভ করেছি। ২০০১ সালের জুলাইতে আরেকটি বিশ্বরেকর্ড গড়েছি। কোথাও না থেমে একটানা, ৮৪ ঘণ্টা ১০ মিনিটে নতুন করে দানিয়ুব পাড়ি দিয়েছি। পার হয়েছি ৩১৩ দশমিক ৫ কিলোমিটার। তবে তখন কষ্টকর সাঁতারে ৪০ পাউন্ড ওজন হারিয়েছি। তারপরও থেমে যাইনি। ২০০২ সালে পুরো মিসিসিপি নদী পাড়ি দিয়েছি, ৬৮ দিনে সাঁতার কেটেছি ২ হাজার ৪১৪ মাইল। এটি উত্তর আমেরিকার দ্বিতীয় বড় নদী এবং মহাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা। ২০০৩ সালে ২ হাজার ৪৮৪ মাইল দীর্ঘ আর্জেন্টিনার পারানো পাড়ি দিয়েছি। এরপর এশিয়ার সবচেয়ে বড়, বিশ্বের তৃতীয় এবং একটি দেশের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া পৃথিবীর সবচেয়ে বড় নদী ইয়াংজিতে গিয়েছি। এটি ৩ হাজার ৯০০ মাইল লম্বা। চীনের ৯ দশমিক ৫৯৭ মিলিয়ন স্কয়ার কিলোমিটার জমির ২০ ভাগেরই জীবন নদীটির ওপর নির্ভর করে। নদী পরিবহনে বিশ্বের সবচেয়ে বড় নদী। ২০০৪ সালের ১০ জুন নদীটি সাঁতার কাটা শুরু করেছিলাম। ৩০ দিন সাঁতার শেষে ৩১ জুলাই, সাঁতার শেষ করার ঠিক করা তারিখের এক দিন আগেই পুরো নদীটি সাঁতরে চীনের রাজধানী সাংহাইতে পৌঁছাতে পেরেছি। এতগুলো নদীতে সাঁতার দেওয়ায় লোকে আমাকে ‘মাছমানব’ বলে।
এই বিখ্যাত ও বিপজ্জনক নদীগুলো পেরোনোর আগে কীভাবে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন?
দিনে দুবার প্রশিক্ষণ নিয়েছি। সকাল ৬টা থেকে ৮টা। পরে আবার বিকেলে নিজেকে তৈরির জন্য পানিতে নেমেছি। আমার দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে অনেকবার স্কি করেছি (বরফের দেশে বরফের ওপর স্কি করা একটি খেলা), প্রচুর হাইকিং করেছি (পাহাড়ি পথে দীর্ঘ পথ হাঁটা) এবং জিমন্যাস্টিকস প্রশিক্ষণ নিয়েছি। সাইকেল চালাইনি বা দৌড়াইনি– কারণ আমি ভারী এবং দীর্ঘপথ পাড়ি দিতে এই চর্বি প্রয়োজন। শরীরের চর্বিই আমার শক্তি। শরীরটি মনে হয় বিশেষভাবে তৈরি– কখনো আঘাত পাইনি, অসুস্থও হইনি। আমার মতো যদি অন্যরা হতেন, তাহলে পুরো পৃথিবীর সব হাসপাতাল খালি হয়ে যেত।
আমাজনে শুরু কবে?
২০০৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি, ৫২ বছর বয়সে বিশ্বের দীর্ঘতম এই নদী সাঁতার শুরু করেছিলাম। টানা ৬৬ দিন সাঁতারের পর ৭ এপ্রিল ২০০৭ সালে কাজ শেষ হয়েছে। রেকর্ড ভাঙা ৩ হাজার ২৭৩ মাইল পাড়ি দিয়েছি। আমাকে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য নৌকা ছিল, যেগুলো আমাজনের বিখ্যাত মাংসখেকো মাছ পিরানহা ও অন্য জলজ প্রাণীদের অনুৎসাহ দেওয়ার জন্য তৈরি ছিল।
সাঁতারের জন্য বিশেষ প্রস্তুতিগুলো কি নিয়েছিলেন?
অন্য যেসব নদীতে গিয়েছি, সেগুলোর যেকোনোটির চেয়ে আমাজনে সাঁতার কাটার সময়গুলো আলাদা। সূর্য সেখানে এক বিরাট শত্রু। কয়েক দিনের মধ্যে তীব্র আলোকরশ্মিতে আমাদের মতো শীতের দেশের মানুষদের চেহারা ধ্বংস করে ফেলতে পারে। পরজীবী, পরভুক প্রাণী বা জীবাণু, লতাপাতা ইত্যাদি সব মানুষের জন্য ক্ষতিকর। বনের প্রাণী ও পানিতে বাস করা কীট, জীবাণু ও প্রাণী সম্পর্কে আগে থেকেই জানতে হবে। সাঁতারের সময়ও সতর্ক থাকতে হবে। সেগুলোকে যদি রক্তের কাছে টেনে আনেন, মরবেন। কয়েক বছর পরে রোগে আক্রান্ত হয়ে বাড়িতেও মরতে পারেন। তাদের রোধ করতে ওয়েটস্যুট (ডুবুরিদের জন্য তৈরি বিশেষ ধরনের তার পোশাকটিতে ভেড়ার লোমের চর্বি ছিল। এই চর্বি এক ধরণের মলম তৈরির প্রধান উপকরণ) পরেছি। গায়ে ভেসেলিন মেখেছি। নদীটিতে দূষণের কারণে আমার ডেঙ্গু রোগ হয়েছিল। সাঁতার শেষে যখন চিকিৎসকদের কাছে গেলাম, তখন জানতে পারলাম। তবে সেটিকে বাড়তে দিইনি। গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অন্য রোগগুলোও সেখানে বিরাট ঝুঁকির।
নদীর বন্য প্রাণীর জীবনের অভিজ্ঞতা?
কয়েকবার পিরানহার আক্রমণের শিকার হয়েছি। এক জায়গায় তো তারা আমার পেছনটি খাচ্ছিল। তাদের আক্রমণ প্রতিরোধ করতে আমরা একটি ভালো উপায় বের করেছিলাম। সেটি হলো– পচা, গলা ও দূষিত রক্ত বালতিতে বালতিতে পানিতে ঢালা। খুব সহজেই এভাবে তাদের আবার অন্যদিকে প্রবাহিত করতে পারেন। আমি পানিতে প্রস্রাব না করতেও শিখেছি, কারণ ক্যান্ডিরু আছে। এই মাছগুলো বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক মাছ। এক-একটি দুই বা তিন ইঞ্চি মাত্র লম্বা হলেও দুনিয়ার অন্যতম দ্রুতগামী মাছ। তারা শরীরের যেকোনো অংশের ভেতর দিয়ে সাঁতার কাটতে পারে; নাক, কান এমনকি মুখের ভেতর দিয়েও সাঁতার কাটে। সেগুলোই তাদের গুহা হিসেবে থাকার জায়গা হয়। তাতে থেকেই রক্ত খায়। সেখানে বুল শার্ক (বড় ও শক্ত হাড় আছে এমন মাছ; গরম, স্বাদু পানি এবং নদীর মোহনাতে থাকে। ছোট ছোট শার্ক, বুল শার্ক, ডলফিনও খায়। আগ্রাসী আচরণের জন্য বুল শার্ক পরিচিত।) এবং স্ট্রিংরে আছে (নানা ধরনের সামুদ্রিক মাছ।) রেগুলোর গায়ের তীক্ষ্ম ফোঁটা চারপাশে চিকিৎসক থাকার পরও আমার ছেলে বোরেটকে আক্রমণ করেছিল, পুরোপুরি ক্ষত তৈরি হয়ে গিয়েছিল। আমার সঙ্গে অনেক দিন গোলাপি ডলফিন সাঁতার কেটেছে। সেগুলোই বুল শার্কের বিপক্ষে আমার সেরা পাহারা ছিল।
কোন জায়গায় পৌঁছেছিলেন?
আমাজনে সাঁতার দিয়ে ব্রাজিলের রাজধানী রিও ডি জেনিরো থেকে ২ হাজার ৪শ ৪০ কিলোমিটার উত্তরের আমাজনের তীর বেলেমে পৌঁছেছি। প্রতিদিন পাড়ি দিয়েছি ৫২ মাইল। আমাজন তার কুমির কালো কেইম্যান, অ্যানাকোন্ডা সাপ, প্রবল ঘূর্ণি, বিশাল জোয়ার-ভাটা ও সশস্ত্র দস্যুদের আস্তানা। নদীর বিশাল ঢেউগুলোর ঘূর্ণি কয়েকবার মেরেই ফেলতে চেয়েছিল। আর প্রাণীগুলোর হাত থেকে বেঁচেছি– এত দীর্ঘসময় সাঁতার কাটার কারণে ওরা আমাকে একজন মনে করে গ্রহণ করেছিল বলে মনে হয়। সাঁতার কাটার সময় শরীরে এত ব্যথাও হয়েছে– অনেকবার নিজে থেকে নৌকায়ও উঠতে পারিনি। কয়েকবার চিকিৎসকরা আমার হদযন্ত্র পরীক্ষা করতে হাসপাতালে ভর্তি হতে বলেছিলেন, কিন্তু পরে পরীক্ষা করে বলেছেন, ঠিক আছে। সাঁতারের সময় মাথা ঘোরা, নদী পীড়া, ঘন ঘন পাতলা-পায়খানা, সূর্যের অতিরশ্মির কারণে তাপের রোগে আক্রান্ত হয়েছি। সব সামলে সাঁতার চিকিৎসকদের নির্দেশ না মেনেই শেষ করেছি।
জোয়ারের বাধা কেমন ছিল?
‘পোরোরোকা’ ১৩ ফিট লম্বা; এক-একটি ঢেউ খুব বিপজ্জনক। সার্ফিংয়ের জন্য খুব ভালো, কিন্তু সাঁতারুদের জন্য খারাপ। তারপরও অন্যসব সাঁতারের মতো এটিও আমি শান্তি এবং বন্ধুত্বের জন্য দিয়েছি। আমাজনে সাঁতার এই বৃষ্টিময় বনের রক্ষা এবং পরিষ্কার পানির উৎস বাঁচানোর জন্য উৎসর্গ করেছি।
সাঁতারের দিনগুলো কেমন কেটেছে?
আগেই প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা সাঁতারের পরিকল্পনা করেছিলাম, রাতে নৌকায় বিশ্রাম ও ঘুমাব। তিন-চার ঘণ্টা ঘুমিয়েছি। ঠিক হয়েছিল– রাতে ম্যাসাজ চলবে, চিকিৎসকরা শরীরের ব্যথার চিকিৎসা করবেন, সেসব হয়েছে।
সঙ্গে কারা ছিলেন?
ছেলে, প্রায় ২০ জন লোক, তাদের মধ্যে চিকিৎসক, ইউরোপ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ আমেরিকা থেকে আসা নদী প্রদর্শকরা ছিলেন। ফরাসি মহাসমুদ্রবিদ জ্যঁ কুসতো আমাদের প্রধান নৌকাটি তৈরি করেছিলেন। আমাদের এই নদী অভিযানে এক মিলিয়ন ইউএস ডলারের বেশি (৫০ লাখ ৭০ হাজার ব্রিটিশ পাউন্ড, বাংলাদেশের টাকায় এখন ৫ কোটি ২০ লাখ ৮০ হাজারেরও বেশি) লেগেছে। টাকাগুলো স্পন্সররা দিয়েছেন।
কীভাবে?
২০০৬ সালে আমরা আন্তর্জাতিক সাহায্য তহবিল চালু করেছিলাম। এ পর্যন্ত (আট সেপ্টেম্বর, ২০০৯) ফান্ডে নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী (এখন সাবেক) জেনস স্টোলটেনবার্গ ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদান দিয়েছেন। সুইডেন, জাপান, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড ও ব্রাজিল তাতে যুক্ত হয়েছে।
এখন লক্ষ্য?
আমার এখন কাজ, আমাজনের এই গল্প সারা বিশ্বকে বলা। যেসব মানুষ পৃথিবীর এই বহুমূল্য অংশ ধ্বংস করতে চাইছেন, তাদের হাত থেকে বনটিকে আমাদের বাঁচাতে হবে। বেশির ভাগ লোক আমাজনের ধ্বংস এবং ফলে বৈশ্বিক উষ্ণতা কীভাবে বাড়বে জানেন না।
ওমর শাহেদ ও তানভীর সিদ্দিক
সূত্র : টাইম, বিবিসি