পাখির বৈচিত্র্য ও সংখ্যার দিক থেকে আমাজন বিশ্বের অন্যতম সেরা রেইনফরেস্ট। এই বনের গর্ব, ১৩শ জাতের পাখির বাস, তাদের স্থায়ী ঠিকানা। এখনো বিজ্ঞানীদের মধ্যে গবেষণায় পাওয়া তথ্য ও বিশ্লেষণে তর্ক চলছে- কেন আমাজনে এত ধরনের পাখির প্রজাতি থাকে? তবে তাদের অন্যতম প্রধান মতবাদ এই পরামর্শ দেয়, হিমবাহের কালের পরে সাগরের সমতল বেড়েছে। ফলে আমাজন বেড়েছে ও অনেক দ্বীপের জন্ম হয়েছে। তাতে বিবর্তনের মতবাদ চালু হয়েছে এবং আলাদা ও নতুন প্রজাতির পাখির আবাস একের পর এক দ্রুত বেড়েছে।
আমাজনের ওপরের অংশ গছে প্রজাতিতে খুব সমৃদ্ধ। সেখানে চার থেকে ৫০০ জাতের পাখি থাকে। সেগুলোর মধ্যে পরিযায়ী ও পানিতে বাস করা পাখির সংখ্যাই বেশি। তবে সবচেয়ে বড় ব্যাপার, আমাজনেই পরিমাণে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পাখি পাওয়া যায়, যেগুলো একমাত্র এই বনাঞ্চলেই বাস করে। ফলে বিরল এই পাখিদের দেখতে সারা বিশ্বের পাখি পর্যবেক্ষকরা প্রায়ই ব্রাজিল, পেরু, ইকুয়েডর ও বলিভিয়ারে এই বৃষ্টিময় বনমালায় চলে আসেন।
গ্রীষ্মমণ্ডলীয় আমাজনের এমন অনেক আলাদা এলাকা আছে, যেখানে অবিশ্বাস্য পরিমাণের পাখি এক এলাকাতেই বাস করে। উদাহরণ হিসেবে মানাউসের কাছে ব্রাজিলের আমাজনে ৩৫২টি ভিন্ন জাতের পাখি একটিমাত্র পাখি গণনায় আবিষ্কার করা হয়েছে। আরেকটি পাখি গবেষণায় খ্যাতিমান পক্ষীবিজ্ঞানী জন টারবর্গ ৫২৬টি ভিন্ন ভিন্ন জাত পেয়েছেন। সেগুলো ছিল পেরুর আন্দ্রেজ পর্বতমালার চড়াই-উৎরাই আছে এমন জায়গার বরফের প্রচণ্ড বৃষ্টিপাত হয় ও সারা বছর বৃষ্টি হয় আমাজনের এমন বনে। এই অংশে তিনি যে পরিমাণ পাখির আলাদা জাত পেয়েছেন, পুরো কানাডাতেও তেমন পাখির জাত নেই। বিশ্বের অন্যতম উন্নত সেই দেশটিতে আছে মোট ৪৯১ জাতের পাখি। যদিও কানাডার ৬৪ ভাগের এক ভাগ পেরুর জাতীয় অভয়ারণ্য মানু ন্যাশনাল পার্ক।
আমেরিকা মহাদেশে পাওয়া অন্যতম বড় প্রাণী হারপে ঈগল। বনাঞ্চলটির অন্যতম প্রধান এই শিকারি পাখি শিকারের মাধ্যমে আমাজনের পাখ-পাখালি ও প্রাণীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে অন্যতম প্রধান ভূমিকা রাখে। গাছের ওপর বাস করে এমন প্রাণী (যে বানর), বড় পাখি এমনকি সাপও তারা খায়। একসময় হারপে ঈগলের বাস ও শিকারের এলাকা ছিল দক্ষিণের মেক্সিকো থেকে মধ্য এবং দক্ষিণ আমেরিকা। তবে অনেক এলাকা থেকে তারা তাদের স্বাভাবিক আবাসভূমি ধ্বংস ও মানুষের বসতি গড়ার কারণে হারিয়ে গেছে। পখি শিকারেরও কারণে তারা এবং অন্য বড় পাখিরা এই অঞ্চল থেকে হারিয়ে যাচ্ছে।
আন্দ্রেজ পর্বতমালার পশ্চিমের পাহাড়ি অংশগুলোতে প্রাকৃতিক সুরক্ষার কারণে এখনো পাখিদের উল্লেখযোগ্য অংশ টিকে আছে। তবে জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে এখন পাখিগুলো এই অঞ্চল থেকে হারিয়ে যাচ্ছে।
প্রচ্ছদ ছবি : হারপে ঈগল (আমাজন এইড ফাউন্ডেশন থেকে)
পাখির বৈচিত্র্য ও সংখ্যার দিক থেকে আমাজন বিশ্বের অন্যতম সেরা রেইনফরেস্ট। এই বনের গর্ব, ১৩শ জাতের পাখির বাস, তাদের স্থায়ী ঠিকানা। এখনো বিজ্ঞানীদের মধ্যে গবেষণায় পাওয়া তথ্য ও বিশ্লেষণে তর্ক চলছে- কেন আমাজনে এত ধরনের পাখির প্রজাতি থাকে? তবে তাদের অন্যতম প্রধান মতবাদ এই পরামর্শ দেয়, হিমবাহের কালের পরে সাগরের সমতল বেড়েছে। ফলে আমাজন বেড়েছে ও অনেক দ্বীপের জন্ম হয়েছে। তাতে বিবর্তনের মতবাদ চালু হয়েছে এবং আলাদা ও নতুন প্রজাতির পাখির আবাস একের পর এক দ্রুত বেড়েছে।
আমাজনের ওপরের অংশ গছে প্রজাতিতে খুব সমৃদ্ধ। সেখানে চার থেকে ৫০০ জাতের পাখি থাকে। সেগুলোর মধ্যে পরিযায়ী ও পানিতে বাস করা পাখির সংখ্যাই বেশি। তবে সবচেয়ে বড় ব্যাপার, আমাজনেই পরিমাণে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পাখি পাওয়া যায়, যেগুলো একমাত্র এই বনাঞ্চলেই বাস করে। ফলে বিরল এই পাখিদের দেখতে সারা বিশ্বের পাখি পর্যবেক্ষকরা প্রায়ই ব্রাজিল, পেরু, ইকুয়েডর ও বলিভিয়ারে এই বৃষ্টিময় বনমালায় চলে আসেন।
গ্রীষ্মমণ্ডলীয় আমাজনের এমন অনেক আলাদা এলাকা আছে, যেখানে অবিশ্বাস্য পরিমাণের পাখি এক এলাকাতেই বাস করে। উদাহরণ হিসেবে মানাউসের কাছে ব্রাজিলের আমাজনে ৩৫২টি ভিন্ন জাতের পাখি একটিমাত্র পাখি গণনায় আবিষ্কার করা হয়েছে। আরেকটি পাখি গবেষণায় খ্যাতিমান পক্ষীবিজ্ঞানী জন টারবর্গ ৫২৬টি ভিন্ন ভিন্ন জাত পেয়েছেন। সেগুলো ছিল পেরুর আন্দ্রেজ পর্বতমালার চড়াই-উৎরাই আছে এমন জায়গার বরফের প্রচণ্ড বৃষ্টিপাত হয় ও সারা বছর বৃষ্টি হয় আমাজনের এমন বনে। এই অংশে তিনি যে পরিমাণ পাখির আলাদা জাত পেয়েছেন, পুরো কানাডাতেও তেমন পাখির জাত নেই। বিশ্বের অন্যতম উন্নত সেই দেশটিতে আছে মোট ৪৯১ জাতের পাখি। যদিও কানাডার ৬৪ ভাগের এক ভাগ পেরুর জাতীয় অভয়ারণ্য মানু ন্যাশনাল পার্ক।
আমেরিকা মহাদেশে পাওয়া অন্যতম বড় প্রাণী হারপে ঈগল। বনাঞ্চলটির অন্যতম প্রধান এই শিকারি পাখি শিকারের মাধ্যমে আমাজনের পাখ-পাখালি ও প্রাণীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে অন্যতম প্রধান ভূমিকা রাখে। গাছের ওপর বাস করে এমন প্রাণী (যে বানর), বড় পাখি এমনকি সাপও তারা খায়। একসময় হারপে ঈগলের বাস ও শিকারের এলাকা ছিল দক্ষিণের মেক্সিকো থেকে মধ্য এবং দক্ষিণ আমেরিকা। তবে অনেক এলাকা থেকে তারা তাদের স্বাভাবিক আবাসভূমি ধ্বংস ও মানুষের বসতি গড়ার কারণে হারিয়ে গেছে। পখি শিকারেরও কারণে তারা এবং অন্য বড় পাখিরা এই অঞ্চল থেকে হারিয়ে যাচ্ছে।
আন্দ্রেজ পর্বতমালার পশ্চিমের পাহাড়ি অংশগুলোতে প্রাকৃতিক সুরক্ষার কারণে এখনো পাখিদের উল্লেখযোগ্য অংশ টিকে আছে। তবে জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে এখন পাখিগুলো এই অঞ্চল থেকে হারিয়ে যাচ্ছে।
প্রচ্ছদ ছবি : হারপে ঈগল (আমাজন এইড ফাউন্ডেশন থেকে)