মাদারীপুর সদর উপজেলার কালিকাপুর গ্রামে অষ্টম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রী (১৩) ধর্ষণের শিকার হয়েছে। শনিবার দুপুরে ধর্ষণের অভিযোগে স্কুল ছাত্রীকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে শনিবার বিকেলে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার কালিকাপুর গ্রামের আক্তার মাতব্বরের ছেলে আশরাফ মাতব্বর (২৭) এর বিরুদ্ধে একই এলাকার অষ্টম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে জোর পূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার দুপুরে ধর্ষণের অভিযোগে স্কুল ছাত্রী মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ বিষয়ে সদর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে স্কুল ছাত্রীর পরিবার। ধর্ষণের শিকার ঐ ছাত্রী কালিকাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে বলে জানা যায়।
ধর্ষণের শিকার স্কুল ছাত্রীর বড় ভাই বলেন, ‘শুক্রবার সন্ধ্যার সময় আমার বোন চাচার বাড়ি যাওয়ার কথা বলে ঘর থেকে বের হয়। এ সময় আশরাফ আমার বোনকে কৌশলে কোমল পানীয়র সাথে অচেতন করার ঔষধ মিশিয়ে পান করতে দেয়। এক পর্যায়ে আমার বোন অচেতন হয়ে পড়লে আশরাফ তাকে বাড়ির পেছনে নিয়ে রাতভর ধর্ষণ করে। সারারাত আমরা বোনকে খুঁজতে থাকি। ভোররাতে আমরা বাড়ির পেছন থেকে আশরাফ ও বোনকে উদ্ধার করি। এ সময় থানা পুলিশকে খবর দিলে কৌশলে আশরাফ পালিয়ে যায়। বোনকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করি। আমি আমার বোনের ধর্ষণকারীর কঠোর শাস্তির দাবি জানাই’।
মাদারীপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মাহাবুব আবির বলেন, একটি মেয়ে ধর্ষণের অভিযোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো. সওগাতুল আলম বলেন, কালিকাপুর এলাকা থেকে এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আমরা তদন্ত করছি। ঘটনার সত্যতা পেলে ধর্ষণকারীকে আইনের আওতায় আনা হবে।
মাদারীপুর পুলিশ সুপার মো. মাহবুব হাসান জানান, আমরা প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছি। মামলা নিয়ে প্রকৃত আসামিদের গ্রেপ্তার করা হবে।