কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ধর্ষণের শিকার হয়ে এক প্রতিবন্ধী কিশোরী সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার রাতে দাউদকান্দি মডেল থানায় অভিযোগ করেন কিশোরীর মা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার জিংলাতুলিতে শারীরিক প্রতিবন্ধী কিশোরী সবসময় ঘরেই থাকতো। কারো সাহায্য ছাড়া সে চলতে পারে না। সাত মাস আগে মেয়েটির বাবা-মা না থাকার সুযোগে প্রতিবেশী ফুলমিয়ার ছেলে রাসেল (১৮) ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করে। চিৎকার দিলে মুখ চেপে ধরে এবং এ ঘটনা কাউকে বললে মেরে ফেলার ভয় দেখালে মেয়েটি কাউকে কিছু বলেনি।
মেয়েটির মা বলেন, ‘আমার মেয়েটি পঙ্গু। সে কোথাও যেতে পারে না। কয়েকদিন আগে আমার মেয়ে বমি করলে গ্যাস্টিক মনে করে ওষুধ খাওয়াই। কিন্তু কোনো কাজ হয় না। আস্তে আস্তে তার পেট ফোলা দেখতে পেয়ে গৌরীপুর মেডিনোভা হাসপাতালে নিয়ে গেলে জানতে পারি মেয়ে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। পরে জানতে চাইলে মেয়ে রাসেলের নাম বলেছে।
চেয়ারম্যানকে জানানোর পর বুধবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নিয়ে আমাদের বাড়িতে আসে।
জিংলাতুলি ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর মোল্লা বলেন, মেয়ের মায়ের কাছে ঘটনা শুনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্যারকে জানালে স্যার মেয়েটির বাড়িতে যাই। যেহেতু দু’জনই অবিবাহিত তাই এলাকাবাসীর অনুরোধে আমরা উভয় পরিবারের সাথে কথা বলে বিয়ের ব্যবস্থা করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আলোচনার ফাঁকে ধর্ষক পালিয়ে যাওয়ায় পরে থানায় নিয়ে যাই।
দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম জানান, বুধবার রাতে ধর্ষণের অভিযোগ পেয়েছি। ভিকটিমকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে। আসামি গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।