সর্বজয়ার পরিকল্পনা

কম দামের প্যাডগুলো হবে উন্নতমানের।

বাজারে প্রতিটি প্যাকেটে ১৫ থেকে ১৮টি প্যাড থাকবে।

মেয়েদের মাসিক বা পিরিয়ড পাঁচ থেকে সাত দিন হয়। দুই থেকে তিনটি সর্বজয়া প্যাডে তারা অনায়াসে মাসখানেক চালাতে পারবেন।

প্রতিটি প্যাডের প্যাকেটের দাম ৮০ টাকার কম হবে।

তাদের মানের এত কম দামের প্যাড আমাদের বাজারে আর হবে না দাবি টিম সর্বজয়ার।

পেইল ব্লু শিট দিয়ে তৈরি হবে এগুলো। বাজারের স্যানিটারি ন্যাপকিনের কোনোটিই এই শিট ব্যবহার করে না। করলেও নিচু মানের করে।

তাদের প্যাডগুলো এত উন্নতমানের পেইল ব্লু শিট দিয়ে তৈরি হবে যে, দেড়শ টাকার বেশি প্রতিটি প্যাকেটের দাম পড়ে যাবে। তবে কেবল গ্রামের মেয়েদের, গরিব মেয়েদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা বিবেচনা করে তারা কম দামে সেগুলো বাজারে বিক্রি করবেন।

একেবারে প্রত্যন্ত গ্রামের বাজারে, ফার্মেসিতেও আলাদা বিপণন ব্যবস্থা গড়ে তুলবেন তারা।

প্রতি ১০ বাড়ি পর প্রতিটি গ্রামে পর্যায়ক্রমে তাদের সর্বজয়া বিক্রয় প্রতিনিধি থাকবেন।

মহিলারা বেচবেন বলে বিক্রি বেশি হবে, নারীরা মাসিকে প্যাড খুব ব্যবহার করবেন এবং তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত হবে।

উপকার পাবেন এভাবে লাখ লাখ নারী।

সর্বজয়ার স্মার্টফোন অ্যাপসের মাধ্যমে বিক্রি থাকবে। ফলে ঘরে বসেও প্যাডগুলো কেনার অর্ডার দেওয়া যাবে।

তাদের বাড়িতে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষরা প্যাডগুলো পৌঁছে দেবেন বলে এই শ্রেণির অবহেলিত মানুষদেরও কাজের সুযোগ ঘটবে। তারা ভালোভাবে বাঁচতে পারবেন।

সর্বজয়া অ্যাপে অ্যাম্বুলেন্সও ডাকা যাবে। ফলে এই অ্যাপের ব্যবহার অনেক বেশি হবে।

আরও ভালোভাবে এটি তৈরি করা হলে তারা এখান থেকে মাসিক সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যায় বিনামূল্যে চিকিৎসকের পরামর্শ বা প্রেসক্রিপশন নিতে পারবেন।

তাদের প্যাড তৈরির কারখানাতে ছাত্রছাত্রীরা কাজ করবেন। ফলে লেখাপড়ার পাশাপাশি তাদের উপার্জনের ব্যবস্থা হবে।

মেয়ে ছাত্রীদের সচেতনতা ও প্যাড ব্যবহার বাড়বে।

পুরোপুরি পরিবেশবান্ধব ও পচনযোগ্য ব্যাগে তারা সর্বজয়া বিক্রি করবেন। আমাদের দেশের এ ধরনের সব প্যাড প্লাস্টিকে মোড়া থাকে। ফলে পরিবেশের ক্ষতি হয়।