ফিলিস্তিনের ভাগ্যবিড়ম্বিত মানুষের গল্প

‘পুলসিরাত’ নিয়ে মঞ্চে প্রাচ্যনাট

অসংখ্য ভাগ্যবিড়ম্বিত মানুষের মতোই ওরা তিনজনÑ আবু কায়েস, আসাদ ও মারওয়ান। নিজেদের ভাগ্যান্বেষণের জন্য ফিলিস্তিন থেকে স্বপ্নের কুয়েতে পাড়ি জমাতে চায়। কুয়েতে হাতছানি দিচ্ছে তাদের স্বপ্নের জীবন। অনেক কষ্টের এবং দুর্গম পথ তাদের বেছে নিতে হয়। এই ভয়ানক পথটা পাড়ি দিতে পারলেই তাদের প্রত্যাশিত শান্তি। প্রাচ্যনাট প্রযোজিত নতুন নাটক ‘পুলসিরাত’-এর গল্পটা এমনই। নির্দেশক জানালেন, এই কঠিন স্বপ্ন-পথে যাত্রার গল্পই ‘পুলসিরাত’।

গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় রাজধানীর নাটক সরণির (বেইলি রোড) মহিলা সমিতির নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে নাটকটির উদ্বোধনী মঞ্চায়ন হয়। পরে রাত ৮টায় অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় মঞ্চায়ন। এটি প্রাচ্যনাটের ৩৫তম প্রযোজনা। ফিলিস্তিনি লেখক ঘাসান কানাফানির উপন্যাস ‘মেন ইন দ্য সান’ অবলম্বনে অনুবাদ করেছেন মাসুমুল আলম। নাট্যরূপ দিয়েছেন মনিরুল ইসলাম রুবেল এবং নির্দেশনা দিয়েছেন কাজী তৌফিকুল ইসলাম ইমন। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেনÑ আজাদ আবুল কালাম, শাহরিয়ার ফেরদৌস সজীব, সাইফুল জার্নাল, মিতুল রহমান, জগন্ময় পাল, মনিরুল ইসলাম রুবেল, চেতনা রহমান ভাষা, তানজিকুন, শামীম শ্রাবণ, তৃপ্তি প্রমুখ। সেট ডিজাইন করেছেন শাহীনুর রহমান, আলোক পরিকল্পনায় বাবর খাদেমী, শব্দ ও সংগীতে আছেন নীল কামরুল। পোশাক পরিকল্পনায় বিলকিস জাহান জবা।

শাহ আবদুল করিম স্মরণে ‘মহাজনের নাও’

শাহ আবদুল করিমকে স্মরণ করে জীবনীভিত্তিক নাটক ‘মহাজনের নাও’ মঞ্চস্থ করল সুবচন নাট্য সংসদ। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতীয় নাট্যশালার পরীক্ষণ মিলনায়তনে নাটকটির ১২৫তম মঞ্চায়ন অনুষ্ঠিত হয়। সুবচনের প্রধান সম্পাদক আহাম্মেদ গিয়াস দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘প্রখ্যাত মরমি সাধক শাহ আবদুল করিমের দশম মৃত্যুবার্ষিকী ছিল গত বৃহস্পতিবার। এ উপলক্ষে শুক্রবার নাটকটির ১২৫তম প্রদর্শনী তাকে উৎসর্গ করা হয়েছে।’ ‘মহাজনের নাও’ নাটকটি লিখেছেন শাকুর মজিদ এবং নির্দেশনা দিয়েছেন সুদীপ চক্রবর্তী।

শ্রোতার আসরে চন্দনা মজুমদার

ছায়ানটের রমেশচন্দ্র দত্ত স্মৃতি মিলনকেন্দ্রে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় শ্রোতার আসর। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শুরু হয় আয়োজন। অনুষ্ঠানে মানিক জালালউদ্দিন খাঁ পরিবেশন করেন ‘প্রাণনাথ ছাড়িয়া যাইও না মোরে’ এবং ‘ভাবতরঙ্গে এসো আমার সঙ্গে’ গানগুলো। এরপর ছায়ানট সংগীত বিদ্যায়তনের শিক্ষক চন্দনা মজুমদার লালন সাঁইয়ের ‘জগৎ মুক্তিতে ভোলালেন সাঁই’ ও ‘নিগুম বিচারে সত্য’সহ বেশ কিছু লোকসংগীত পরিবেশন করেন।