শেষ টেস্ট জিতে অ্যাশেজ ড্র করল ইংল্যান্ড

বিশ্বকাপ জিতে নিয়ে এবারের গ্রীষ্ম স্মরণীয় করেছিল ইংল্যান্ড। যা শেষ হলো অ্যাশেজ ড্র করার মাধ্যমে। ওভালে পঞ্চম ও শেষ টেস্টে ১৩৫ রানের জয় তুলে নিয়েছেন ইংলিশরা। তবে আগের অ্যাশেজের জয়ী দল হিসেবে ‘ছাইদানি’ থাকছে অস্ট্রেলিয়ারই। ২০০১ সালের পর ইংল্যান্ড থেকে অ্যাশেজ নিয়ে ফিরবে অজিরা।

রবিবার সকালে ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংস শেষ হয় ৩২৯ রানে। প্রথম ইনিংসে ৬৯ রানের লিড পেয়েছিল স্বাগতিকেরা। ফলে অস্ট্রেলিয়ার সামনে ৩৯৯ রানের লক্ষ্য দাঁড়ায়। টিম পেইনের দল থেমেছে ২৬৩ রানে। ইংল্যান্ডের জয়ে ড্র হয় অ্যাশেজ। রেকর্ড বলছে ৪৭ বছর পর অ্যাশেজ ড্র হলো। সর্বশেষ ১৯৭২ সালে ড্র হয় অ্যাশেজ।

আগের দিনের ৮ উইকেটে ৩১৩ রান নিয়ে দিন শুরু করেছিল ইংল্যান্ড। এদিন আরো ১৬ রান যোগ করে দলটি। প্রায় দুই দিন সময় হাতে থাকলেও এই টেস্ট জিততে হলে অবিশ্বাস্য কিছু করতে হতো অস্ট্রেলিয়াকে। এর চেয়ে বেশি রান তাড়া করে অস্ট্রেলিয়া যে একবারই জিতেছিল। সেই ১৯৪৮ সালে।

অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে দুর্ভাগ্য বোধ হয় স্টিভেন স্মিথের রান পাওয়া। ২৩ রানে ফেরেন স্মিথ। সিরিজে আগের ৬ ইনিংসে যার সর্বনিম্ন রান ছিল- ৮০।

তবে ম্যাথু ওয়েড সেঞ্চুরি পেলেন। কিন্তু তাকে লড়তে হলো একা। ১১৭ রানে ওয়েড অষ্টম ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরার আগেই অবশ্য ইংল্যান্ড জয় দেখছিল। অজিদের পক্ষে এদিন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোর মিচেল মার্শের। যা স্মিথের চেয়ে মাত্র এক বেশি- ২৪।

অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস গুটিয়ে দেওয়ার কাজটা সম্মিলিতভাবে করেছেন স্টুয়ার্ড ব্রড ও জ্যাক লিচ। দুজনই নেন ৪টি করে উইকেট। বাকি ২ উইকেট নিয়েছেন জো রুট। ম্যাচসেরা হয়েছেন প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট নেওয়া জোফরা আর্চার।

সিরিজসেরা হয়েছেন স্মিথ ও বেন স্টোকস। স্মিথ অবিশ্বাস্য ধারাবাহিকভাবে রান করেছেন। আর স্টোকস ইংল্যান্ডকে অবিশ্বাস্য ব্যাটিংয়ে জেতান হেডিংলি টেস্ট। ১-০তে পিছিয়ে থাকার পর সেই ম্যাচই ইংল্যান্ডকে অ্যাশেজে ফিরিয়েছিল।