সৌদি আরবে প্রধানতম তেলক্ষেত্রে ড্রোন হামলার জন্য ইরানকে দুষলেও এই মুহূর্তে যুদ্ধ চান না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
রয়টার্স জানায়, যুদ্ধের জন্য চূড়ান্ত প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র, রবিবার এমনটা বললেও পরের দিনই সুর পাল্টালেন ট্রাম্প।
শনিবার সৌদি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান আরামকোর দুইটি তেল প্রক্রিয়াজাতকরণ স্থাপনায় বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালায় ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। তবে হামলার পেছনে ইরানকে দায়ী করছে রিয়াদ ও ওয়াশিংটন।
সোমবার ট্রাম্প জানান, দেখে মনে হচ্ছে সৌদি আরবে তেলক্ষেত্রের ওপর হামলার পেছনে ইরান দায়ী তবে তিনি এখন যুদ্ধে রাজি নন।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভাষ্য, সৌদিতে এই হামলার কারণে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সংঘাতের আশঙ্কা সৃষ্টি হলেও যুদ্ধে জড়াতে চাইছেন না তিনি।
শনিবারের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অপরিশোধিত তেলক্ষেত্র এবং কয়েক দশকের মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম এই প্রথম লাফিয়ে বাড়ল।
এদিকে সৌদি আরবে হামলার পেছনে ইরান জড়িত কিনা সেটি তদন্ত করে দেখছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে ট্রাম্প বলেন, “অবশ্যই এই মুহূর্তে সেটিই মনে হচ্ছে।”
পূর্ববর্তী প্রেসিডেন্টের শুরু করা যুদ্ধ থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে ফিরিয়ে আনতে বা সেসব যুদ্ধের সমাপ্তি টানতে দায়িত্বের বড় অংশ ব্যয় করেছেন ট্রাম্প। ফলে তিনি সৌদি আরবের জন্য নতুন করে সংঘাতে জড়াতে চান না।
ট্রাম্প বলেন, “আমি এমন ব্যক্তি, যে যুদ্ধ চায় না।”
অথচ একদিন আগেই তিনি জানান, যুদ্ধের জন্য চূড়ান্ত প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র। সৌদির সম্মতি পেলেই ইরানে হামলা চালানো হবে। কিন্তু সোমবার এমন সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসলেন তিনি।