প্রেমে বিচ্ছেদ ঘটায় প্রেমিকের দেওয়া চিঠি পুড়িয়ে ফেলতে চেয়েছিলেন তরুণী। কিন্তু প্রেমপত্র পোড়াতে গিয়ে তিনি পুরো ভবনেই আগুন লাগিয়ে দেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের নেবরাসকা অঙ্গরাজ্যের লিনকোলন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রেমিকের সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে যায় আরিয়ানা চেন্টেল লিলার্ড নামে ১৯ বছর বয়সী ওই তরুণীর। এই ক্ষোভে তিনি প্রেমিকের দেওয়া চিঠিগুলো পুড়িয়ে ফেলতে চান।
বহুতলের ভবনে তিনতলার ফ্ল্যাটের ব্যালকনিতে চিঠিগুলোতে তিনি আগুন ধরিয়ে দেন। সেগুলো ছাই হওয়ার আগেই তিনি নিজ রুমে গিয়ে শুয়ে পড়েন।
এ দিকে চিঠির আগুন উড়ে আসে ব্যালকনিতে থাকা কার্পেটে। সেই কার্পেট জ্বলে উঠে দাউ দাউ করে। একপর্যায়ে পুরো অ্যাপার্টমেন্টে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
পোড়া গন্ধে হঠাৎ ঘুম ভেঙে যায় আরিয়ানার। রুম থেকে বের হয়েই দেখেন আগুনে পুড়ছে ঘরের আসবাবপত্র। ধোয়ায় ভরে গেছে পুরো অ্যাপার্টমেন্ট। এদিকে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে পুরো ভবনের বাসিন্দারা।
তৎক্ষণাৎ জরুরি নম্বরে ফোন দিয়ে অগ্নিকাণ্ডের খবর জানান আরিয়ানা। তার ফোন পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস। তাদের কয়েক মিনিটের চেষ্টায় বহুতল ভবনটির তিনতলায় লাগায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
এ ঘটনায় কোনো ধরনের হতাহত না হলেও পুলিশ জানায়, আগুনে পুরে ধ্বংস হয়ে গেছে পুরো অ্যাপার্টমেন্ট। এতে নষ্ট হয়েছে প্রায় ৪ হাজার ডলার মূল্যের সম্পত্তি।
দায়িত্বজ্ঞানহীনতার অভিযোগে আরিয়ানাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদেই এই মার্কিন তরুণী জানান, সাবেক প্রেমিকের দেওয়া চিঠি পোড়াতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। শিগগিরই তাকে আদালতে হাজির করা হবে বলে জানা গেছে।