ওজন কমাতে বাধ্য করেন নির্মাতা

টিভি শো ‘ফ্রেন্ডস’ জেনিফার অ্যানিস্টনকে দিয়েছিল অভাবনীয় জনপ্রিয়তা। যদিও সিরিয়ালটি নিয়ে তিক্তকর অভিজ্ঞতা কম নয়। বিশেষ করে ওজন ঝরাতে বাধ্য হওয়ার স্মৃতি এখনো তাজা।

স্মরণীয় টিভি সিরিজটির রজতজয়ন্তী পালিত হয়েছে সম্প্রতি। এই উপলক্ষে প্রকাশ হয়েছে ‘জেনারেশন ফ্রেন্ডস : অ্যান ইনসাইড লুক অ্যাট দ্য শো দ্যাট ডিফাইন্ড আ টেলিভিশন এরা’ শিরোনামের বই। লিখেছেন সল অস্টারলিটজ। সেখানে উঠে এসেছে অ্যানিস্টনের র‌্যাচেল গ্রিন চরিত্রটির আদ্যপ্রান্ত। লেখক জানান, গ্রিনের উপযুক্ত হয়ে ওঠার জন্য অ্যানিস্টনকে ওজন কমাতে বলা হয়। যদিও তিনি রাজি ছিলেন না। পরে বাধ্য হয়ে নির্মাতাদের সিদ্ধান্ত মেনে নেন।

অস্টারলিটজ এই বইয়ে বলেন, ‘হলিউডে থাকতে হলে তাকে ত্রিশ পাউন্ড ওজন কমাতে হতো। একজন অভিনেত্রীর জন্য, নারীর জন্য লস অ্যাঞ্জেলস খুবই কঠিন জায়গা।’ সঙ্গে জানান, বিষয়টি নিয়ে অ্যানিস্টনের সঙ্গে এজেন্টের ঝামেলাও হয়। জেনিফার অ্যানিস্টনের সৌন্দর্য নিয়ে কারও দ্বিমত নেই। কিন্তু ওজন নিয়েই আপত্তি ছিল।

১৯৯৬ সালে রোলিং স্টোন ম্যাগাজিনের কাছে ওজন কমানোর বিষয়টি নিয়ে প্রথমবার কথা বলেন জেনিফার অ্যানিস্টন। ওই সময় তাকে প্রিয় মিল্কশেইক, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, মেয়োনিজ স্যান্ডউইচ বাদ দিতে হয় খাদ্যতালিকা থেকে। অবশ্য এই ত্যাগ বিফলে যায়নি শিগগিরই বুঝতে পারেন অ্যানিস্টন। ১৯৯৪ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ‘ফ্রেন্ডস’ সিরিজের দশ সিজনে অভিনয় করেন তিনি।

টেলিভিশনের একাধিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি সিনেমায়ও দারুণ জনপ্রিয়তা পান জেনিফার অ্যানিস্টন। হলিউডের অন্যতম ধনী নায়িকাও তিনি। চলতি বছর অ্যাডাম স্যান্ডলারের সঙ্গে নেটফ্লিক্সের ‘মার্ডার মিস্ট্রি’ সিনেমায় দেখা গেছে তাকে। নভেম্বরে অ্যাপল টিভি প্লাসে প্রিমিয়ার হবে কমেডি-ড্রামা ওয়েব সিরিজ ‘দ্য মর্নিং শো’র। এতে আরও অভিনয় করেছেন রিস উইদারস্পুন, স্টিভ ক্যারলসহ অনেকে। আর দুই অনুষ্ঠানেরই নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে আছেন জেনিফার অ্যানিস্টন।