বঙ্গবন্ধু প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে জেলা আ. লীগের সংহতি প্রকাশ

উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে টানা চতুর্থ দিনের মতো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছে গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ।

রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে কর্মসূচি পালনরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত হয়ে তাদের দাবির প্রতি এই সংহতি প্রকাশ করেন। এ সময় জেলা নেতৃবৃন্দ শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি প্রত্যাহার করার আহ্বান জানালে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমদাদুল হক চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলী খান, গোবরা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান টুটুল চৌধুরী প্রমুখ।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, আমাদের এক দফা এক দাবি। উপাচার্য পদত্যাগ না করা পর্যন্ত বিক্ষোভ ও অনশন চলবে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিনের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও অনশনের তৃতীয় দিন শনিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয় ছুটি ঘোষণা করে প্রশাসন। একই সঙ্গে সকাল ১০টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

প্রশাসনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলন চালিয়ে গেলে বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটকের বাইরে সোবহান সড়কে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায় উপাচার্যপন্থী শিক্ষার্থী ও বহিরাগতরা। এতে সাংবাদিকসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।

পরে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে পদত্যাগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী প্রক্টর হুমায়ুন কবির।

এর আগে বুধবার রাত ১২টার দিকে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়া নিয়ে গত ১১ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ফাতেমা-তুজ-জিনিয়াকে বহিষ্কার করা হলে আন্দোলনের সূত্রপাত হয়।