তরুপল্লবের আগামী জানালেন মোকারম হোসেন
দেশ, প্রকৃতি ও মানুষের কতটা উপকার করছে, মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারছে ‘তরুপল্লব’?
তরুপল্লব পুরোপুরি জনকল্যাণমূলক সামাজিক সংগঠন। আমরা মনে করি, কাজে আমরা অনেকটা সফল। আমাদের যেসব অনুষ্ঠান হয়, সেগুলোর প্রতিটিতে সাধারণ মানুষের সম্পৃক্ততা, স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ থাকে । দ্বিজেন শর্মা বেঁচে থাকতে তিনি, প্রকৃতি ও তরুপল্লব এই তিনকে ঘিরে বলয় তৈরি হয়েছে। এখন পরম্পরা চলছে। মানুষ দ্বিজেনদাকে স্মরণ করে এখনো তরুপল্লবের কাছে আসছেন, আমাদের কাজগুলোর সঙ্গে একাত্ম হচ্ছেন। অনেক সংকটের পরও আমাদের প্রকৃতি ও কার্যক্রমের সাফল্যের সবই মানুষের ভালোবাসা থেকে পাওয়া। লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনার মাধ্যমে আমরা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে পেরেছি। মানুষ তরুপল্লবের নাম জানছেন, নির্ভরতা থেকে গাছের নানা সমস্যার সমাধানের জন্য আসছেন, পরামর্শ নিয়ে বাস্তবায়ন করছেন।
আপনাদের অসুবিধা?
খুব কম পৃষ্ঠপোষকতা পাচ্ছি । আমাদের কাজগুলো আরও বড় আকারে পরিচালনার জন্য সব ধরনের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন । আরও অনেক মানুষের কাছে আমরা পৌঁছাতে চাই।
কারা কীভাবে সাহায্য করেছেন?
আইডিএলসি ফিনান্স, সিটি ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড এবং প্রকৃতিপত্রের বিজ্ঞাপনদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো আমাদের সহযোগিতা করেছেন। এছাড়া কোনো ব্যক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক বিজ্ঞাপন আমরা পাই না।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা?
এখন যে কাজগুলো আমরা করছি, সেগুলো ভবিষ্যতে আরও ভালোভাবে চলবে। তাছাড়াও আমরা গাছের যত্ন এবং রোগবালাই সারানোর জন্য, ভালো মানের দেশি গাছের বীজ ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরের মানুষের কাছে পৌঁছানোর জন্য একটি ভ্রাম্যমাণ গাছের নার্সারি ও রোগবালাই প্রতিরোধ কেন্দ্র করতে চাই। স্কুলে তরুপল্লবের গাছ চেনা ও রোপণের কাজ আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা আছে। বাংলাদেশের দুর্যোগসহিষ্ণু গাছের পূর্ণ তালিকা করা হবে আমাদের পক্ষ থেকে। সেই তালিকা ধরে আমরা দুর্যোগপ্রবণ এলাকাগুলো বাঁচাতে তেমন গাছ রোপণ করব নিজেদের উদ্যোগে।
সেজন্য তো সাহায্য লাগবে...।
এই কাজগুলো করার জন্য আমাদের পৃষ্ঠপোষকতা লাগবে। সরকার, প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি যে কেউ যেকোনো মুহূর্তে, যেকোনোভাবে আমাদের সাহায্য করতে পারেন। আমাদের কাজের লোকও দরকার। চাইলে আপনিও আসতে পারেন।
(২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ঢাকা)