বিতর্কিত যুবলীগ নেতা গোলাম কিবরিয়া (জিকে) শামীম, যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াসহ ক্যাসিনো পরিচালনায় জড়িতদের অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধান রকবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। একইভাবে ছাত্র লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলমের সম্পদের বিষয়েও খোঁজ খবর নিচ্ছে দুদক।
সোমবার কমিশনের এক সভায় ক্যাসিনোর মাধ্যমে যারা বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন তাদের অবৈধ সম্পদের বিষয়ে খোঁজ খবর নিতে দুদক পরিচালক বিশেষ তদন্ত অনুবিভাগের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনকে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তদন্ত তদারকি কর্মকর্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সংস্থাটির মহাপরিচালক সাঈদ মাহবুব খানকে। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদক সচিব দিলওয়ার বখ্ত অনানুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বলেছেন, ক্যাসিনো পরিচালনা ও জুয়ার বোর্ড পরিচালনা করে যারা অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন তাদের বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে কমিশন অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছে। কার কার অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধান করা হবে জানতে চাইলে, তিনি কারও নাম উল্লেখ করেননি।
ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধান করা হবে কিনা জানতে চাইলে দুদক সচিব বলেন, গণমাধ্যমে তার সম্পদের বিষয়ে প্রতিবেদন চোখে পড়েছে। সে বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে।
বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া, জি কে শামীম, গেন্ডারিয়ার আওয়ামী লীগ নেতা এনামুল হক ভূঁইয়া এনু ভূঁইয়া, তার ভাই রশিদ ভূঁইয়া ও রুপন ভূঁইয়া, মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক লোকমান হোসেন ভূঁইয়া, মতিঝিলের ওয়ার্ড কাউন্সিলর মমিনুল হক সাঈদসহ বেশ কয়েকজন ক্যাসিনো থেকে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের তথ্য পেয়েছে দুদক। সেগুলো দুদকে আমলে নিয়ে যাচাই বাছাই করছে।