কুষ্টিয়ায় যৌতুকের জন্য স্ত্রী জোনাকী খাতুনকে (১৯) হত্যার দায়ে স্বামী জনির (২৮) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড
দেওয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় কুষ্টিয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতের বিচারক মুন্সি মো. মশিয়ার রহমান আসামির উপস্থিতিতে এই রায় দেন। জনি সদর উপজেলার পশ্চিম আব্দালপুরের বকুলের ছেলে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১৬ মে সন্ধ্যায় যৌতুক হিসেবে বাবার বাড়ি থেকে ৫০ হাজার টাকা এনে দিতে বলেন জনি। এতে রাজি না হওয়ায় জোনাকীর ওপর নির্যাতন চালান। একপর্যায়ে জ্ঞান হারালে জোনাকীর গলায় ফাঁস দিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখেন জনি। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান জোনাকী। এ ঘটনায় জোনাকীর মা আসমা খাতুন বাদী হয়ে কুমারখালী থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে ৩১ জুলাই আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতের পিপি মেহেদী হাসান জানান, আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় চার্জ গঠন ও দীর্ঘ শুনানি শেষে এই রায় দিয়েছে আদালত।