জাতিসংঘে দেওয়া পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বক্তৃতার তীব্র সমালোচনা করেছেন দুই ভারতীয় ক্রিকেটার হরভজন সিং ও মোহাম্মদ শামি। টুইটার বার্তায় ইমরানকে এক হাত নিয়েছেন এই দুই ভারতীয় ক্রিকেট তারকা।
গত আগস্টে জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করে নেয় ভারত সরকার। পাশাপাশি জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখকে পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়। এরই প্রতিবাদে শেষ কয়েক মাস কাশ্মীর ইস্যুতে সরব পাকিস্তান।
জাতিসংঘের ভাষণেও পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী সেই প্রসঙ্গ টেনেছেন। পাকিস্তানকে বিশ্বকাপ জেতানো সাবেক অধিনায়ক তার ভাষণের একপর্যায়ে বলেন, ‘একটি দেশ যে তার প্রতিবেশীর চেয়ে আয়তনে ৭ গুণ ছোট, এমন সিদ্ধান্তের মুখোমুখি হলো যে, সে আত্মসমর্পণ করবে নাকি শেষ পর্যন্ত যুদ্ধ করবে? আমি নিজেকে এই প্রশ্ন করি। আমি বিশ্বাস করি আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। আমরা যুদ্ধ চালিয়ে যাব।’
‘আমি পরমাণু যুদ্ধের হুমকি দিচ্ছি না। এটি একটি আশঙ্কা। এটি জাতিসংঘের জন্য একটি পরীক্ষা। জাতিসংঘই কাশ্মীরের জনগণের নিজেদের পছন্দ বেছে নেওয়ার অধিকারের গ্যারান্টি দিয়েছিল। ১৯৩৯ সালের মতো এটা কি সঠিক সময় নয়?’
সাবেক ভারতীয় স্পিনার হরভজন সিং বুধবার টুইট বার্তায় দাবি কবেন ইমরান খানে বক্তব্যে যুদ্ধের ইঙ্গিত ছিল। তিনি লিখেন, ‘জাতিসংঘের ভাষণে ইমরান খানের বক্তব্যে সম্ভাব্য পরমাণু যুদ্ধের ইঙ্গিত ছিল। উনি রক্তস্নান ও শেষ পর্যন্ত লড়ার কথা বলেছেন। এ রকম চললে দুই রাষ্ট্রের মধ্যে শুধুই হিংসা বাড়বে। একজন স্পোর্টসপার্সন হিসাবে ওনার থেকে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা করব।’
অন্যদিকে বর্তমান দলের অন্যতম সদস্য মোহাম্মদ শামি টুইটারে লেখেন, ‘মহাত্মা গান্ধী আজীবন ভালোবাসা, সমন্বয় ও শান্তির বার্তা দিয়ে গেছেন। জাতিসংঘের মঞ্চে দাঁড়িয়ে ইমরান খান হিংসার কথা বলে হুমকি দিলেন। পাকিস্তানের এমন একজন নেতা চাই যে উন্নয়ন, চাকরি ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির কথা বলবে। যুদ্ধ আর সন্ত্রাসের বার্তা দেবে না।’