যুবলীগের মেয়াদোত্তীর্ণ কেন্দ্রীয় কমিটির সম্মেলন ২৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। বুধবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।
বৈঠকে আওয়ামী লীগের মেয়াদোত্তীর্ণ আরো দুই সহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ এবং ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন জাতীয় শ্রমিক লীগেরও সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
যুবলীগের নেতারা জানিয়েছেন, ২৩ নভেম্বর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সংগঠনটির সপ্তম জাতীয় কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হবে। ২ নভেম্বর কৃষক লীগের সম্মেলন, ৯ নভেম্বর জাতীয় শ্রমিক লীগের সম্মেলন এবং ১৬ নভেম্বর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলনের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৪তম অধিবেশন এবং ভারত সফর নিয়ে করা সংবাদ সম্মেলন শেষে গণভবনে নেতাদের সঙ্গে এক অনির্ধারিত বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে মেয়াদোত্তীর্ণ সহযোগী সংগঠনগুলোর সম্মেলন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী নভেম্বরের মধ্যে এসব কমিটির সম্মেলন শেষ করতে নির্দেশ দেন।
যুবলীগের তিন বছর মেয়াদি সর্বশেষ সম্মেলন হয়েছে ২০১২ সালের ১৪ জুলাই। ওই সম্মেলনে ওমর ফারুক চৌধুরী চেয়ারম্যান এবং হারুনুর রশিদ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন।
স্বেচ্ছাসেবক লীগের সর্বশেষ দ্বিতীয় সম্মেলন হয় ২০১২ সালের ১১ জুলাই। ওই সম্মেলনে মোল্লা মো. আবু কাওছার সভাপতি ও পঙ্কজ দেবনাথ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এর আগে ২০০৩ সালে সংগঠনটির প্রথম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেই সম্মেলনে আওয়ামী লীগের বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম সভাপতি ও পঙ্কজ দেবনাথ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন।
২০১২ সালের ১৯ জুলাই কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ওই সম্মেলনে মোতাহার হোসেন মোল্লা সভাপতি ও খোন্দকার শামসুল হক সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০১২ সালের ১৯ জুলাই জাতীয় শ্রমিক লীগের সম্মেলনে সভাপতি হয়েছিলেন শুক্কুর মাহমুদ এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছিলেন সিরাজুল ইসলাম।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, এনামুল হক শামীম, মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল প্রমুখ।