শক্তিতে এগিয়ে থাকা কাতার ভেজা মাঠেও খেলল আধিপত্য ধরে রেখে। প্রতি আক্রমণ থেকে বাংলাদেশও বেশ কিছু ভালো সুযোগ তৈরি করল। যদিও কাজে লাগাতে পারল না কোনোটাই। ২৮ মিনিটে করা গোলে তাই এগিয়ে থেকেই প্রথমার্ধ শেষ করল এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন কাতার।
বৃহস্পতিবার বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপের যৌথ বাছাইয়ে ‘ই’ গ্রুপের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও কাতার। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে দুই দলের ম্যাচটি মাঠে গড়ায় সন্ধ্যা ৭টায়। প্রথমার্ধ শেষে ম্যাচের ফল- কাতার ১ : ০ বাংলাদেশ।
সকাল থেকেই ঢাকার আকাশ ছিল মেঘলা। বিকেল নাগাদ বেশ ভারী বর্ষণই হয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে। যাতে মাঠ তার স্বাভাবিক রূপ হারাল। তবে ম্যাচটি মাঠে গড়াল নির্ধারিত সময়েই।
ভেজা মাঠে দুই দলই যে তাদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারবে না তা আঁচ করা গিয়েছিল আগেই। বাংলাদেশ এমন মাঠে খেলে অভ্যস্ত। কাতার অবশ্য নয়। উপচেপড়া গ্যালারির দর্শকেরা তাই বৃষ্টিকে মেনেছিল আশীর্বাদ হিসেবেই। ভুটান কোচ বলেছিলেন না, ভেজা মাঠে কাতারকেও হারাবে বাংলাদেশ!
এ ম্যাচে বাংলাদেশের কৌশল রক্ষণ সামলে প্রতি আক্রমণে ওঠা। ৪ মিনিটে কাউন্টার আক্রমণ থেকে দারুণ একটি সুযোগও তৈরি করে বাংলাদেশ। ম্যাচের ১০ মিনিটে রায়হানের লম্বা থ্রো থেকে ভালো একটি সুযোগও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ডি-বক্সের বাইরে থেকে অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ার কিক লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ২৫ মিনিটেও প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারের ভুলে দারুণ একটি সুযোগ পেয়ে যায় বাংলাদেশ। কিন্তু ইব্রাহিম বলের সঙ্গে সংযোগই করতে পারেননি পায়ের।
আক্রমণাত্মক খেলতে থাকা কাতার ২৮ মিনিটে লিড আদায় করে নেয়। গোল করেন ইউসুফ আব্দুরইসাঘ। তবে বাংলাদেশ গোল হজম করে মোটেও খেই হারায়নি। খেলে গেছে একই ছন্দে। প্রথমার্ধের শেষ দিকে তো নিশ্চিত গোলই পেয়ে যাচ্ছিল বাংলাদেশ। জামাল দুইবার শট নিলেও সেটি প্রতিহত হয়। একই মুহূর্তে শট নেন বিপলুও। তবে সুবর্ণ সেই সুযোগ থেকে শেষ পর্যন্ত গোল আদায় করতে পারেনি স্বাগতিকেরা।
বাংলাদেশ একাদশ:
আশরাফুল ইসলাম রানা (গোলরক্ষক), রহমত মিয়া, ইয়াসিন খান, জামাল ভূঁইয়া (অধিনায়ক), বিপলু আহমেদ, নাবিব নেওয়াজ জীবন, সোহেল রানা, মোহাম্মদ ইব্রাহীম, রিয়াদুল হাসান, রায়হান হাসান, সাদউদ্দিন।