ছয় ইনিংসে চার সেঞ্চুরি। ভারতের দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও মায়াঙ্ক আগারওয়ালের ইনিংসগুলো পরপর সাজিয়ে দিলেই ব্যাপারটা বোঝা যাবে। ১৭৬, ১২৭, ১৪। ২১৫, ৭, ১০৮। এই সংখ্যাগুলোর মধ্যে টেস্টে ভারতের বড় ইনিংসের রহস্য লুকিয়ে। হয়তো সাফল্যও লুকিয়ে আছে এই সংখ্যাগুলোর মধ্যে। পুনে টেস্টের প্রথম ইনিংসে রোহিত ব্যর্থ হয়েছেন। কাগিসো রাবাদার বলে মাত্র ১৪ রানে আউট হন। তবে মায়াঙ্ক ব্যর্থ হননি। সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। ফলে প্রথম দিনে ৮৫.১ ওভার ব্যাটিং করা ভারতের স্কোর ৩ উইকেটে ২৭৩। অধিনায়ক বিরাট কোহলি ৬৩ রানে এবং আজিঙ্কা রাহানে ১৮ রানে অপরাজিত।
বিশাখাপত্তমে জোড়া সেঞ্চুরি করেছিলেন রোহিত। প্রথম ইনিংসে ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন মায়াঙ্ক। আর তাই ম্যাচটা জিততে ভারতের বেগ পেতে হয়নি। এখানে রোহিত প্রথম ইনিংসে ব্যর্থ হলেও মায়াঙ্ক কিন্তু ঠিকই সেঞ্চুরি পেয়েছেন। বড় ইনিংসের ভিত গড়তেও তাই ভারতকে বেগ পেতে হলো না। শুরুতে স্বাগতিকদের রান যখন ২৫ তখন প্যাভিলিয়নে ফেরেন রোহিত। এরপর চেতেশ্বর পুজারা জুটি গড়েন মায়াঙ্কের সঙ্গে। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ১৩৮ রান যোগ করেন তারা। ৫৮ রান করে রাবাদার বলে আউট হন পুজারা। কোহলি এসে যোগ দেন মায়াঙ্কের সঙ্গে। তৃতীয় উইকেটে দলের খাতায় ৩৫ রান যোগ করেন তারা। দিনের শেষ অংশে কোহলি আর রাহানে চতুর্থ উইকেটে ৭৫ রান তুলে অবিচ্ছিন্ন।
মায়াঙ্ক ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি করেছেন বাউন্ডারি মেরে। ১৯৫ বলে ১০৮ রানের ইনিংসটি ১৬টি চার ও দুটি ছয়ে সাজানো ছিল।
টস হেরে গতকাল হতাশার একটা রেকর্ড গড়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকান অধিনায়ক ফ্যাফ ডু প্লেসিস। উপমহাদেশে টানা নয় টেস্টে টস হারলেন তিনি। বলেছেন, ‘টস হওয়ার আগে বিরাটকে বলছিলাম, ভারতে কীভাবে টস জিততে হয়, সেই জাদু যেন শিখিয়ে দেয়। তবে প্রথম টেস্টে টস হেরে বেশি দুঃখ পেয়েছিলাম। এখানে যদি প্রথম ইনিংসে ভালো বল করতে পারি, তবে চতুর্থ ও পঞ্চম দিনে ব্যাট করার ব্যাপারটা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু থাকবে না।’ পুনের উইকেটে ঘাস আছে। তাই দুই দলই তিন পেসার নিয়ে খেলছে। প্রথম টেস্ট খেলা অফস্পিনার ডেন পিয়েদকে বাদ দিয়ে নেওয়া হয়েছে পেসার অ্যানরিখ নর্টজেকে। এটা তার অভিষেক টেস্ট। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করা হনুমা বিহারিকে বসিয়ে ভারতীয় দলে নেওয়া হয়েছে উমেশ যাদবকে।