অজান্তে যে ভুল হয়েছে তার জন্য ক্ষমা চাচ্ছি

জায়েদ খান। ঢালিউডের পরিচিত মুখ। আসন্ন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে লড়বেন তিনি। এ নির্বাচন নিয়ে ইতিমধ্যে অনেক জল ঘোলা হয়েছে। সমসাময়িক বিষয়ে তার সঙ্গে কথা বলেছেন সানিম আহমেদ

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ব্যস্ততা...

এখন সব ব্যস্ততা নির্বাচন নিয়ে। দুই বছর কাজ করেছি অনেক। শিল্পী সমিতির হয়ে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছি। এখন প্রতিদান পাওয়ার পালা। শিল্পীরা জানেন আমরা কী কাজ করেছি। তাদের কাছে একটাই চাওয়া আমাদের প্যানেলকে জয়যুক্ত করুন। আমরা যদি আসতে পারি তাহলে আবার কাজ করব। যেসব কাজ পূরণ করা হয়নি সেসব করব, যা কিছু প্রতিশ্রুতি দিয়েছি সেসব সুবিধা করে দেব।

নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক...

যেই ক্ষমতায় আসুক, একশ ভাগ কাজ তো কেউ করতে পারবে না। অনেক প্রতিকূলতার মাঝেও আমরা আমাদের  সেরাটা করার চেষ্টা করেছি। এরপরও ভুল তো থাকবেই।  কেউ ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। সেই ভুলগুলো নিয়েই অনেকে কথা বলছেন। অজান্তে যে ভুল হয়েছে সে ভুলের জন্য ক্ষমা চাচ্ছি। তবে যারা বিতর্ক উসকে দিচ্ছে তারা রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে শিল্পী সমিতি ব্যবহার করতে চায় এবং সবাই এর মাধ্যমে নেতৃত্বে আসতে চায়। শুরু থেকে দেখছি সমিতির  নেতৃত্বের এই চেয়ারটার প্রতি অনেক মানুষের আকাক্সক্ষা-বিদ্বেষ। ভালো কাজগুলোকে ম্লান করে কীভাবে ছোট করা এবং এখান থেকে সরিয়ে কেউ কেউ ব্যক্তিস্বার্থে সমিতিকে ব্যবহার করতে চায়। এ কারণে এত বিতর্ক ও সমালোচনা। কিছু জনিপ্রয় শিল্পী সমিতির তহবিল নিয়ে বড় বড় কথা বলেন। দুই বছরে তারা একটি পয়সাও তহবিলে দেননি।  কোথাও থেকে আনেনওনি। তাদের কী অবদান আছে সমিতিতে? কেউ মারা গেলেও তারা আসেননি, কোনো মিলাদেও অংশ নেননি।

প্রতিপক্ষ যখন মৌসুমী...

মৌসুমী ভালো অভিনেত্রী, জনপ্রিয় তারকা। তিনি নির্বাচনে দাঁড়াতেই পারেন। নির্বাচন করাটা সবারই গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু আমি ভোট দেব মিশা ভাইকে। মিশা ভাই এই দুই বছরে আমাকে অনেক কিছুই হাতে-কলমে শিখিয়েছেন। আমরা একটি প্যানেল হয়েই নির্বাচন করছি। তাই আমি মিশা ভাইয়ের প্যানেলকেই এগিয়ে রাখব। 

অভিনয়ের খবর...

অনেকগুলো সিনেমার কাজ চলছে। ‘হৃদয় ছোঁয়া ভালোবাসা’, ‘বাহাদুরি’সহ বেশ কিছু সিনেমা হাতে রয়েছে। তবে আপাতত সিনেমার কাজ বন্ধ আছে। দশ দিন কোনো কাজ নয়। নির্বাচন যাক, তারপর আবার সিনেমা। সিনেমার জন্যই তো বেঁচে থাকা। সিনেমায় এসেছিলাম অনেক স্বপ্ন নিয়ে। লোকে  দেখবে, চিনবে। এখন লোকে চেনে কিন্তু স্বাভাবিক জীবন পাই না। মাঝে মাঝে গ্রামে চলে যাই।

নতুন যারা এসেছে তারা কেমন?

নতুন যারা এসেছে সবাই প্রতিশ্রুতিশীল। সবাই ভালো করছে। নায়িকাদের মধ্যে আঁচল, ববি, পরীমনি, মাহি সবাই ভালো। এখন তো ছোট পর্দা থেকেও ছেলেমেয়েরা আসছে। যেমন বিদ্যা সিনহা মিম, তিশা, সিয়াম। এরা অভিনয়ে ভালো।

কো আর্টিস্ট হিসেবে পছন্দ?

কো আর্টিস্ট হিসেবে আমার পছন্দ শাবনূর। তার সঙ্গে আমার দুটি ছবি  করেছি। এখনো যদি ছবির অফার পাই করব। শাবনূরকে দেখে আমার সিনেমায় আসা। আমি শাবনূরের কাছ থেকে কো আর্টিস্ট হিসেবে অনেক সহযোগিতা পেয়েছি। শাবনূর মানুষ হিসেবেও অসাধারণ।