এবারের জাতীয় ক্রিকেট লিগ শুরুর আগেই বেশ আলোচনায় ছিলেন মোহাম্মদ আশরাফুল। ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেট লিগের এই আসরে খেলার জন্য ফিটনেসে বেশ কড়াকড়ি এনেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। বিপ টেস্ট নামক পরীক্ষায় দুই দফায় আশরাফুল পারেননি ন্যূনতম সীমা ১১ পৌঁছাতে।
শেষ পর্যন্ত আশরাফুল সহ বেশ ক’জন পার পেয়ে গেছেন বিশেষ বিবেচনায়। তবে দল বদলাতে হয়েছে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক আশরাফুলকে। পূর্বের দল ঢাকা বিভাগ বা ঢাকা মেট্রোপলিশ কোথাও জায়গা হয়নি টেস্টে সর্বকনিষ্ঠ সেঞ্চুরির ইতিহাস গড়া ক্রিকেটারের। বাধ্য হয়ে খেলছেন বরিশালের হয়ে।
তবে প্রথম রাউন্ডের প্রথম ইনিংসে ব্যর্থ হয়েছেন ৩৫ বছর বয়সী ডানহাতি ব্যাটার। দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচে সিলেট বিভাগের বিপক্ষে পারেননি ৬ রানের বেশি করতে। আশরাফুলকে আসলে সফল হতে দেননি জাতীয় দলে তারই এক সময়ের সতীর্থ অলক কাপালি।
রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছে সিলেট ও বরিশাল। আশরাফুল বরিশালের হয়ে চার নম্বরে ব্যাট করতে নামেন। আধ ঘণ্টা উইকেটে ছিলেন। ১৬ বল খেলে ১ চারে ৬ রানেই বিদায় নিতে হয় তাকে। অলক কাপালির বলে শাহানুর রহমানকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন আশরাফুল।
বিপ টেস্টে অলক কাপালির কথাও এখানে বলতে হয়। আশরাফুল, আব্দুর রাজ্জাকরা যেখানে ১১ তুলতে পারেনি, সেখানে অলক ৩৫ বছর বয়সেও ১২ স্কোর পেয়ে সবাইকে তাক লাগান। সিলেটের অধিনায়ক অলক অবশ্য প্রথম ইনিংসে ১৮ রানের বেশি করতে পারেননি। বল হাতে নিয়েছেন ২ উইকেট।
তবে আশরাফুল ব্যাট হাতে ব্যর্থ হলেও বরিশাল আছে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে। প্রথম ইনিংসে ১৪৫ রানের লিড নিয়েছে দলটি। সিলেট আগে ব্যাট করে গুটিয়ে যায় মাত্র ৮৬ রানে। শনিবার ম্যাচের তৃতীয় দিন শেষ বিকেলে ৮ উইকেটে ২৩১ রান করেন ইনিংস ঘোষণা করে বরিশাল। শাহরিয়ার নাফীস ৬৩ ও অধিনায়ক ফজলে মাহমুদ ৭০ রান করেন। এই প্রতিবেদন লেখার সময় শেষ বিকেলে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করছিল সিলেট বিভাগ।