নিজেদের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ৯ জন শিক্ষক থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
মঙ্গলবার কোতোয়ালি থানায় এই জিডি করেছেন বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ৯ জন শিক্ষক।
শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, দিনাজপুর শহরে বসবাসকারী হাবিপ্রবির ২/৩ জন উচ্ছৃঙ্খল কর্মচারী বিভিন্ন সময়ে হাবিপ্রবিতে প্রশাসনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের কুরুচিপূর্ণভাবে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করে থাকেন এবং তাদের সম্পর্কে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে থাকেন।
তারা আরও অভিযোগ করেন, সম্প্রতি আমরা গোপন সূত্রে জানতে পারি, এই সব কর্মচারী হাবিপ্রবি প্রশাসনকে সহায়তাকারী শিক্ষকদের দিনাজপুর শহরের বিভিন্ন স্থানে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও অপমানিত করার পরিকল্পনা করছে। এই পরিস্থিতিতে আমরা আমাদের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে বেশ শঙ্কিত।
জীবনের নিরাপত্তার জন্য যেসকল শিক্ষক সাধারণ ডায়েরি করেছেন তারা হলেন, প্রফেসর ড. মো. মোস্তাফিজার রহমান (পরিচালক, পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস শাখা, হাবিপ্রবি), প্রফেসর ড. মো. খালেদ হোসেন (প্রক্টর, হাবিপ্রবি), প্রফেসর ড. মো. তারিকুল ইসলাম (পরিচালক, আই.আর.টি), প্রফেসর ড. মো. ইমরান পারভেজ (পরিচালক, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগ, হাবিপ্রবি), ডা. মো. নজরুল ইসলাম (হল সুপার, বঙ্গবন্ধু শেখ মুবিজুর রহমান হল, হাবিপ্রবি), প্রফেসর ড. মো. তহিদার রহমান (হল সুপার, তাজউদ্দিন আহমেদ হল, হাবিপ্রবি), ড. মো. মাহবুব হোসেন (সহকারী প্রক্টর, হাবিপ্রবি), ড. মো. আবু সাঈদ (সহকারী প্রক্টর, হাবিপ্রবি), মো. বেলাল হোসেন (সহকারী পরিচালক, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগ, হাবিপ্রবি)।
থানায় ডায়েরি করার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. খালেদ হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমাদের ক্ষতি করার জন্য কয়েকজন চেষ্টা করছেন বলে এমন তথ্য আছে। আমরা বর্তমানে নিজেদের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত আছি।’
এ বিষয়ে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেদওয়ানুর রহিম বলেন, ‘হাবিপ্রবির প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা ৯ জন শিক্ষক থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। তারা সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেনি। পরবর্তীতে যদি তারা যদি সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য বা ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেন তাহলে আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’